৩৫ বসন্তে লিওনেল মেসি

আধুনিক ফুটবলের এক আকর্ষণীয় জাদুকর লিওনেল মেসি। তার পায়ের জাদুতে মুগ্ধ-বিমোহিত গোটা ফুটবল বিশ্ব। অসাধারণ ফুটবল নৈপুণ্যের এক জীবন্ত ইতিহাস তিনি। আজ থেকে ঠিক ৩৪ বছর আগে আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে জন্ম নিয়েছিলেন এই রাজপুত্র। বলছি ফুটবল রাজপুত্র লিওনেল মেসির কথা। আজ বৃহস্পতিবার ২৪ জুন তার ৩৪তম জন্মদিন। ‘শুভ জন্মদিন লিওনেল মেসি।’

১৯৮৭ সালের এই দিনে হোর্হে মেসি ও সেলিয়া কুচেত্তিনির সংসারে তৃতীয় সন্তান হিসেবে জন্ম নেন ভিনগ্রহের এই ফুটবলার। অন্য সকল বাচ্চাদের মতো ছিল না মেসির বাল্যকাল। শারীরিক অস্বাভাবিকতা ধরা পড়ে খুব ছোট্ট থাকতেই। সেই অস্বাভাবিকতা জয় করে প্রায় গত দুই দশক ধরে ফুটবল মাঠে একের পর এক অকল্পনীয় ঘটনার জন্মই দিয়েছেন লিওনেল মেসি।

লিওনেল মেসি টানা চারবারসহ মোট ছয়বার ব্যালন ডি’অর জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করেছেন, যা ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এর পাশাপাশি তিনি সর্বোচ্চ ছয়বার ইউরোপীয় গোল্ডেন শু জয়েরও কৃতিত্ব অর্জন করেছেন।

প্রিয় তারকার জন্মদিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো মেসিময় করে তুলেছে তার ভক্তরা। ফেসবুক-টুইটার-ইনেস্টাগ্রাম হয়ে উঠেছে জন্মদিন উদযাপনের অন্যতম মাধ্যম। শুধু তাই নয়, জন্মদিনের ঠিক দুই দিন আগে উপহার হিসেবে পেয়েছেন চলমান কোপা আমেরিকার দ্বিতীয় জয়।

বার্সার হয়ে মোট ৩৪টি শিরোপা জিতেন ক্লাবটির ইতিহাসে সেরা এই স্ট্রাইকার, যার মধ্যে রয়েছে দশটি লা লিগা, চারটি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং ছয়টি কোপা দেল রে। ক্লাব ক্যারিয়ারে মেসি যতটা উজ্জ্বল জাতীয় দলের জার্সি গায়ে ঠিক ততটাই ব্যর্থ তিনি। জাতীয় দলের ১৪ বছরের ক্যারিয়ারে কোনো আন্তর্জাতিক শিরোপা নেই তার।

২০০৫ সাল থেকে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু করা মেসি চারটি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেন। খেলেন বিশ্বকাপ ফাইনালও কিন্তু অধরাই থেকে যায় সোনালী ট্রফিটি। দক্ষিণ আমেরিকার ঐতিহ্যবাহী টুর্নামেন্ট কোপা আমেরিকারও চারটি আসরে অংশ নেন এই তারকা। খেলেন তিনটি ফাইনাল। সেখান থেকেও ফিরতে হয় খালি হাতে। ২০০৭, ২০১৫ এবং ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকার ফাইনাল এবং ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার হারে স্বপ্ন ভাঙে বার্সেলোনা তারকার।

Leave A Reply

Your email address will not be published.