৩৫ জনের মৃত্যু: জাহাজের চালকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা

শীতলক্ষ্যা নদীতে এসকে-৩ নামের লাইটার জাহাজের ধাক্কায় যাত্রীবাহী লঞ্চ সাবিত আল হাসান ডুবে ৩৫ জনের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। এতে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে লাইটার জাহাজের চালকসহ সংশ্লিষ্টদের। মঙ্গলবার রাতে বন্দর থানায় মামলাটি করেন বিআইডব্লিউটিএ-এর সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক ও নিরাপত্তা বিভাগ) বাবু লাল বৈদ্য।

বন্দর থানার ওসি দীপক সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লাইটার জাহাজের চালকসহ সংশ্লিষ্টদের অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা হয়েছে। পুলিশ জাহাজটিকে আটকসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনবে। এর আগে, গত ৪ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টার দিকে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় লঞ্চ টার্মিনাল থেকে সাবিত আল হাসান নামের লঞ্চটি অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে মুন্সিগঞ্জের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে শীতলক্ষ্যা নদীর সদর উপজেলার কয়লাঘাট এলাকায় পৌঁছলে পেছন থেকে একটি লাইটার জাহাজের ধাক্কায় লঞ্চটি নদীতে তলিয়ে যায়।

এ ঘটনায় উদ্ধার অভিযানে নামে ফায়ার সার্ভিস, বিআইডব্লিউটিএ, নৌ বাহিনীর ডুবুরী দল ও নৌ পুলিশের সদস্যরা। ওই রাতেই ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। আর মঙ্গলবার সকালে শীতলক্ষ্যা নদীতে ভাসমান অবস্থায় ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ।

এর আগে, সোমবার বিকেলে শীতলক্ষ্যায় ডুবে যাওয়া সাবিত আল হাসান নামের লঞ্চটি উদ্ধার করে বিআইডব্লিউটিএ উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয়। এসময় লঞ্চের ভেতর থেকে ২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মোট ৩৫ জনের মরদেহ উদ্ধারের পর তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে জেলা প্রশাসন।

আরও পড়ুন
Loading...