২৪ ঘন্টায় ২২৬ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১২ হাজার ২৩৬

দেশে সকাল ৮ পর্যন্ত নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদিন ১২ হাজার ২৩৬ জনের শরীরে ভাইরাসটির সংক্রমণ শনাক্ত হয়। দেশে কভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬২৭টি পরীক্ষাগারে ৪৪ হাজার ৯৪১টি নমুনা পরীক্ষা হয়। এ পর্যন্ত দেশে মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ১০ লাখ ৭১ হাজার ৭৭৪ জন আর মারা গেছে ১৭ হাজার ২২৮ জন। সর্বশেষ ৮ হাজার ৩৯৫ জনের সুস্থতায় এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হওয়া কভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ৯ লাখ ৫ হাজার ৮০৭। সর্বশেষ নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৭দশমিক ২৩ শতাংশ। মোট শনাক্তের হার ১৫ দশমিক শূন্য ০০ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৪ দশমিক ৫১ ও মৃত্যুহার ১ দশমিক ৬১ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ঢাকা বিভাগেরই ৭৪ জন। এছাড়া খুলনায় ৫২, চট্টগ্রামে ৪২, রাজশাহীতে ২৪, বরিশালে ৬, সিলেটে ৫, রংপুরে ১৩ এবং ময়মনসিংহে ১০ জন মারা গেছেন।

মারা যাওয়াদের মধ্যে ১৪০ জন পুরুষ এবং ৮৬ জন নারী। মৃতদের ১৬৮ জন সরকারী হাসপাতালে, ৩৮ জন বেসরকারী হাসপাতালে এবং ২০ জন বাসায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন । এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে মোট মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ১২ হাজার ৫৩ জন এবং নারী ৫ হাজার ২২৫ জন।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে , গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ১২১ জনের বয়স ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের ৪৯, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ৩৬, ৩১ থেকে ৪০ বছরের ১২, ২১ থেকে ৩০ বছরের ৬ জন, ১১ থেকে ২০ বছরের ১ এবং ১০ বছরের কম বয়সী একজন রয়েছেন।

বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর বিভিন্ন সময়ে সংক্রমণের হার ওঠানামা করলেও দেড় মাসের বেশি সময় ধরে দেশে করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক অবস্থায় পৌঁছেছে। এর মধ্যে গত ৮ মে করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের (করোনার ভারতীয় ধরন) সংক্রমণ শনাক্ত হয়। শক্তিশালী করোনার এ ধরন গত মাসের শুরুতে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বা গোষ্ঠীগত সংক্রমণ ঘটায়। এতে দৈনিক সংক্রমণ ও মৃতের সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়েছে।

২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহানে প্রথম নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এরপর মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে শতাধিক দেশে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়লে গত বছরের ১১ মার্চ করোনাকে বৈশ্বিক মহামারী ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

Leave A Reply

Your email address will not be published.