১২০ মিনিট লড়াইয়ের পর ইউক্রেনের নাটকীয় জয়

৯০ মিনিট ধরে ১-১ সমতায় লড়াই। তবে নির্দিষ্ট সময়ের ভেতরই হতে যেতে পারত ম্যাচের সমাপ্তি। কিন্তু দুই দলের তিনটি শিওর শট গোল পোস্ট আর ক্রসবারে লাগায় হতে পারেনি সমাপ্তি।

গ্লাসগোর হ্যাম্পডেন পার্কে মঙ্গলবার রাতে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালের খেলায় মুখোমুখি হয় সুইডেন ও ইউক্রেন। প্রি-কোয়ার্টারে সুইডেন এসেছিল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে আর তৃতীয় হওয়া সেরা চার দলের একটি ইউক্রেন। অথচ গ্রুপ চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে দিল চতুর্থ সেরারা। এবারের ইউরো কাপ যেন বড় দলগুলোর সঙ্গে অবিচার করছে রীতিমতো।

ম্যাচের শুরু থেকেই ইউরোর গতিময় ফুটবল খেলেছে দুই দল। প্রথমে সুইডেন পায় সাফল্য। যদিও প্রথমে সুযোগ আসে সুইডেনের। ১১ মিনিটের মাথায় রোমান ইয়ারেমচুকের নেয়া শট ডান দিকে ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক রবিন ওলসেন।

এর খানিক বাদেই সুযোগ কাজে লাগায় ইউক্রেন। ম্যাচের ২৭ মিনিটের সময় আন্দ্রে ইয়ারমোলেঙ্কোর পা থেকে আসা বলে বাঁ পায়ের পায়ের জোরালো শটে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন অলেসান্দার জিনচেঙ্কো।

প্রথমার্ধেই গোল শোধ করে সুইডেন। ৪২ মিনিটের মাথায় এমিল ফর্সবার্গের বাঁ পায়ের জোরালো শট থামাতে গিয়ে পায়ে লেগে দিক পাল্টে হয়ে যায় গোল।

দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক আক্রমণে ব্যস্ত হয়ে পড়ে দুই গোল রক্ষক। তবে নির্দিষ্ট সময় শেষ হয় ১-১ সমতায়। এরপর আসে অতিরিক্ত ২০ মিনিট। এখানেও সময়টা ফুরিয়ে যাচ্ছিল কিন্তু শেষের নাটকীয়তা যে বাকি রেখেছিল ইউক্রেন।

৯৯ মিনিটের মাথায় কিছুটা উত্তেজনা ছড়িয়ে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন সুইডেনের মার্কুস ড্যানিয়েলসন। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া সুইডেনের বিপক্ষে ১২০ মিনিটের সঙ্গে যে অতিরিক্ত সময় যোগ করা হয়, তার প্রথম মিনিটে সতীর্থের পা থেকে আসা বল হেডে গোল করেন আর্তেম ডভিক। কোয়ার্টার-ফাইনালে আগামী শনিবার ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ইউক্রেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.