সেন্টমার্টিনে মালয়েশিয়াগামী ট্রলারডুবিতে ১৫ রোহিঙ্গার মৃত্যু

অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিনের অদূরে ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৫ জন রোহিঙ্গার লাশ উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড ও নৌ-বাহিনী। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ৬৩ জনকে। নিহতদের মধ্যে চারজন শিশু ও ৯ জন নারী রয়েছে। এ ঘটনায় এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ৪০ জন। তাদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী।

সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে সোমবার গভীর রাতে সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবির এ ঘটনা ঘটে। সেন্টমার্টিন কোস্টগার্ডের স্টেশন কমান্ডার লে. নাঈম উল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

লে. নাঈম উল হক বলেন, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত বঙ্গোপসাগর থেকে ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি ৬২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও ৪০ জনের মতো নিখোঁজ রয়েছেন।

জীবিত উদ্ধার ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে নাঈম উল হক বলেন, নিখোঁজদের উদ্ধারের চেষ্টা করছি আমরা। ট্রলারডুবিতে হতাহতদের সবাই রোহিঙ্গা। টেকনাফ থেকে সমুদ্রপথে ট্রলারযোগে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছিলেন তারা। তাদের ট্রলারে ১২০ জনের মতো রোহিঙ্গা ছিলেন। এর মধ্যে ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কেউ কেউ সাঁতরে কূলে উঠে পালিয়ে গেছেন। অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধারকাজ চলছে।

উদ্ধার রোহিঙ্গারা জানিয়েছেন, সোমবার রাতে সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন তারা। সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটে। এতে অনেকেই ডুবে যান। কেউ কেউ সাঁতরে পার হন।

আরও পড়ুন
Loading...