সাকিবের ব্যাটে কোহলিদের বিদায়

শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল সাত রান। স্ট্রাইকে সাকিব আল হাসান। বল হাতে কয়েকদিন আগেই ঢাকায় সাকিবকে পাঁচ ছক্কা হাঁকানো ড্যান ক্রিস্টান। প্রথম বলেই বাংলাদেশি তারকার স্কুপ। চার মেরে দলের জন্য স্বস্তি এনে দিলেন। যেমনটা করেছিলেন ২০১২ আইপিএলের ফাইনালে। তার বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাটিংয়েই শিরোপা তুলেছিল কলকাতা। এক দশক পরও একইরকম সাকিব। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) এলিমিনেটর ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুকে বিদায় করল কলকাতা নাইট রাইডার্স। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে তাদের সামনে প্রতিপক্ষ দিল্লি ক্যাপিটালস।

সোমবার (১১ অক্টোবর) শারজায় চার উইকেটে জয় তুলেছে কলকাতা। ১৩৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দুই বল বাকি থাকতেই জয় তুলে নেয় সাকিবের দল। ৬ বলে একটি চার মেরে ৯ রান তুলে অপরাজিত ছিলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

শেষ ওভারের প্রথম বলে সাকিব চার মেরে দ্বিতীয় বলে এক রান তুলেন। স্ট্রাইকে গিয়ে একরান তুলে প্রান্ত বদল করেন অধিনায়ক এউইন মরগ্যান। পরের বলে আবারও রান তুলে জয় আদায় করে নেন টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ভাগে প্রথমবারের মতো ব্যাট করতে নামা সাকিব।

চলতি আইপিএল স্থগিত হওয়ার পর এনিয়ে মাত্র তিনটি ম্যাচ খেলেছেন সাকিব। প্রথম দুই ম্যাচে একটি করে উইকেট তুলেছেন। এই ম্যাচে উইকেট না পেলেও চার ওভারে কাটায় কাটায় ২৪ রান খরচ করেন। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে যা কিপটে বোলিংয়ের কাতারেই পড়ে।

বিরাট কোহলি ৩৯, গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের ১৫ ও এবি ডিভিলিয়ার্সের ১১ রানের সুবাদে ৭ উইকেটে ১৩৮ রান তুলেছিল ব্যাঙ্গালুরু।

১১ রান খরচ করে চার উইকেট ও ১৫ বলে ২৬ রান তুলে ম্যাচ সেরা হয়েছেন কলকাতার স্পিনিং অলরাউন্ডার সুনীল নারিন।

বুধবার (১৩ অক্টোবর) এই মাঠেই দিল্লির বিপক্ষে অঘোষিত সেমিফাইনালে নামবে কলকাতা। ওই ম্যাচে জয়ী দল শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে আগেই ফাইনাল নিশ্চিত করা মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাই সুপার কিংসের।

Leave A Reply

Your email address will not be published.