শাবনূর ফিল্ম ক্যারিয়ারে সফল, সংসারে নয়

বেশ কয়েক মাস ধরে গুঞ্জন ছিলো ঢাকার মিডিয়া পাড়ায়। ৩ মার্চ মধ্যরাতে সেই গুঞ্জন সত্যি হয়েছে। ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনূর (শারমীন নাহিদ নূপুর) গেল ২৬ জানুয়ারি মাদকাসক্ত, শারীরিক-মানসিক নির্যাতন এবং পরনারীতে আসক্তের অভিযোগ এনে স্বামী অনিক মাহমুদকে তালাক দিয়েছেন।

এরপর থেকে এই প্রসঙ্গে শাবনূরের মন্তব্য জানতে তার অস্ট্রেলিয়ার ফোন নম্বরে পক্ষে কয়েক ধাপে যোগাযোগ করা হলেও সাড়া মেলেনি। তবে শাবনূরের এক ঘনিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ২০১৩ সালে ঘরে পুত্রসন্তান জন্ম হওয়ার পর থেকে অনিকের সঙ্গে শাবনূরের দুরত্ব বৃদ্ধি পায়। শুধু তাই নয় সেই সূত্রের দাবি, শাবনূরকে না জানিয়ে প্রায় ৪ বছর আগে শাবনূরের স্বামী অনিক মাহমুদ আয়েশা নামের এক মেয়েকে বিয়ে করে সংসার শুরু করেছেন।

এমন খবর হাতে আসার পর বুধবার সকালে সেই আয়েশার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি গণমাধ্যমের পরিচয় শুনে কথা বলতে আগ্রহী হননি। এর আগে তালাকের নোটিশ এবং হলফনামা প্রস্তুতকারী অ্যাডভোকেট কাওসার আহমেদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি অনিকে তালাক দিয়েছেন শাবনূর।

সেই নোটিশ গেল ৪ ফেব্রুয়ারি অনিকের উত্তরা এবং গাজীপুরের বাসা পাঠানো হয়েছে। এর ফলে আইনগত ভাবে তাঁদের তালাক কার্যকর হবে ৯০ দিন পর। সেই তালাক নোটিশে শাবনূর বলেছেন, আমার স্বামী অনিক মাহমুদ হৃদয় সন্তান এবং আমার যথাযথ যতœ ও রক্ষণাবেক্ষণ করেন না। সে মাদকাসক্ত।

অনেকবার মধ্যরাতে মদ্যপ অবস্থায় বাসায় এসে আমার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়েছে। আমাদের ছেলের জন্মের পর থেকে সে আমার কাছ থেকে দূরে সরে থাকছে এবং অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে আলাদা বসবাস করছে। ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর অনিক মাহমুদকে বিয়ে করেন শাবনূর। এরপর ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর তাদের ঘরে পুত্রসন্তানের জন্ম হয়।

আরও পড়ুন
Loading...