রোহিঙ্গা ট্রলারডুবি: আরো চারজনের মরদেহ উদ্ধার

ভাসানচর থেকে পালানোর সময় বঙ্গোপসাগরে রোহিঙ্গা বোঝাই ট্রলারডুবে নিখোঁজ ২৫ জনের মধ্যে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার পুলিশ ও কোস্টগার্ড তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।

কোস্টগার্ডের পূর্ব জোনের জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুর রউফ জানান, রোহিঙ্গা বোঝাই ট্রলারডুবির ঘটনায় চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে সোমবার সন্দ্বীপের সারিকাইত এলাকায় সাগর থেকে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অপরদিকে কোস্টগার্ডের জাহাজ ‘অপরাজেয় বাংলা’র মাধ্যমে সাগরে তল্লাশি চালিয়ে একজনের ও সন্দ্বীপ পুলিশ একটি মরদেহ উদ্ধার করে।

এছাড়া রোববার নৌবাহিনী একজনের মরদেহ উদ্ধার করে। রোহিঙ্গাদের উদ্ধারে এখনও কাজ করছে কোস্টগার্ডের দুইটি জাহাজ।

সন্দ্বীপ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নুর আহমেদ বলেন, সোমবার সন্দ্বীপের মগধরা ইউপির সাগর পাড় থেকে ৪০ বছর বয়সী এক রোহিঙ্গা নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার গভীর রাতে ভাসানচর থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে রোহিঙ্গা বোঝাই ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটে। এতে ২৭ জন রোহিঙ্গা নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় এক শিশুর মরদেহ ও একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার ভাসানচরের নৌবাহিনীর ক্যাম্প ইনচার্জ শংকর বিশ্বাস বলেছিলেন, ধারণা করা হচ্ছে, শুক্রবার গভীর রাতে রোহিঙ্গা বোঝাই একটি নৌকা ভাসানচর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেয়। ভাসানচর থেকে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা চলার পর নৌকাটি সমুদ্রের বৈরি আবহাওয়ার কবলে পড়ে উল্টে যায়। এতে নৌকাটিতে থাকা অধিকাংশ যাত্রী সাঁতার কেটে আশপাশে মাছ ধরার ট্রলারে আশ্রয় নেন।

মাছ ধরার ট্রলারের জেলেরা ১৪ জনকে উদ্ধার করে শনিবার ভোরে ভাসানচরে পৌঁছে দেন। তাদের কাছ থেকে খবর পেয়ে নিখোঁজদের সন্ধানে নামে কোস্টগার্ডের ভাসানচর, সন্দ্বীপ ও সারিকাইত স্টেশন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.