রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৬ খুনের ঘটনায় মামলা

কক্সবাজারের উখিয়া ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা শিবিরে ‘দারুল উলুম নাদওয়াতুল ওলামা আল ইসলামিয়াহ’ মাদরাসায় অবস্থানরত ছাত্র, শিক্ষক ও ভলানটিয়ার এফডিএমএনের (রোহিঙ্গা) ওপর রোহিঙ্গা দুষ্কৃতকারীদের হামলায় ছয়জন নিহতের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।

গতকাল শনিবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে নিহত আজিজুল হকের পিতা নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ২৫ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০০ থেকে ২৫০ জনের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

৮ আর্মড পুলিশের অধিনায়ক এসপি শিহাব কায়সার খান আরটিভি নিউজকে জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকেই আট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সদস্যরা হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়। এ অভিযানে এজাহারনামীয় পাঁচজনসহ হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে অন্য পাঁচজন- সর্বমোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগের দিন ঘটনার পর পরই ঘটনাস্থল থেকে ১১ নম্বর শিবিরের আবুল কালামের ছেলে মুজিবুর রহমান (১৯) দেশিয় অস্ত্রসহ আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে উখিয়া থানায় পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২২ অক্টোবর) ভোররাতে নিজেদের আধিপত্যের জন্য অস্ত্রধারী রোহিঙ্গাদের একটি দল ‘দারুল উলুম নাদওয়াতুল ওলামা আল ইসলামিয়াহ’ মাদরাসায় হামলা চালিয়ে শিক্ষক ছাত্রসহ ছয়জনকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

ওইদিন রাতে নিহতদের ময়নাতদন্ত শেষে নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে এফডিএমএন ১৮ শিবিরের একটি কবরস্থানে পাঁচজনকে এবং ১১ নম্বর শিবিরে আরেকটি কবরস্থানে অন্য একজন ব্যক্তির নামাজে জানাজা শেষে দাফন করা হয়।

Leave A Reply

Your email address will not be published.