যেসব রোগীদের জন্য পেঁপে খাওয়া বিপজ্জনক

সারা বছরই যে ফলগুলো পাওয়া যায় পেঁপে তার মধ্যে অন্যতম। অত্যন্ত পুষ্টিকর এই ফলটি কাঁচা কিংবা পাকা দুই অবস্থাতেই খাওয়া যায়। ছোট কিংবা বড় যে কেউই ফলটি আনন্দের সঙ্গে খেয়ে থাকেন।

পেঁপে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ একটি ফল। তাই এটি ত্বক ও চুলের জন্য দারুণ উপকারী। এছাড়া পেঁপেতে থাকা প্যাপেইন নামক এনজাইম খাদ্যের বিপাক প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। হৃদরোগ এবং উচ্চ কোলেস্টেরল রোগীদেরকে চিকিৎসকগণ পেঁপে খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

তবে স্বাদে ও গুণে পেঁপে বেশ উপকারী হলেও কিছু রোগীদের জন্য এ ফলটি ক্ষতির কারণ। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক কোন রোগীদের পেঁপে খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত-

>> পেঁপেতে অধিক পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় কিডনি রোগীদের জন্য খুবই বিপজ্জনক।

>> পেঁপেতে থাকা এনজাইম স্পার্ম কাউন্ট কমিয়ে দেয়। তাই যারা বাবা হতে চান, তারা এটি খাওয়া বন্ধ করুন।

>> পেঁপেতে থাকা ফাইবার হজমের সমস্যা বাড়ায়। তাই যাদের হজমের সমস্যা আছে তাদের এটি খাওয়া ঠিক নয়।

>> এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ কমায়। তাই যারা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ওষুধ খান, তারা এ ফলটি খাওয়া এড়িয়ে চলুন।

>> যাদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে তাদের এটি এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ এতে থাকা অ্যালার্জেন শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা বাড়াতে পারে।

>> ডায়াবেটিস রোগীরা এটি খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তবে তাদের জন্য বেশি পরিমাণে খাওয়া বিপজ্জনক।

>> চিকিৎসকগণ গর্ভবতী নারীদের এটি না খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কারণ পেঁপে, পেঁপের বীজ ও শিকড় গর্ভের শিশুদের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এছাড়া এটি ল্যাটেক্সসমৃদ্ধ হওয়ায় এটি খেলে জরায়ু সংকোচন ও গর্ভপাত হতে পারে।

>> ১ বছরের কম বয়সী শিশুদের পেঁপে খাওয়ানো উচিত নয়। এতে থাকা ফাইবার ছোট শিশুদের হজমের সমস্যা হতে পারে। তাই কাঁচা অথবা রান্না কোনো অবস্থাতেই শিশুদের এটি খাওয়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে।

পরামর্শ

>> পেঁপের সঙ্গে আনারস খাওয়া এড়িয়ে চলুন।

>> দিনে ১ কাপের বেশি পেঁপে খাওয়া ঠিক নয়।

Leave A Reply

Your email address will not be published.