মাহমুদউল্লাহরাই চ্যাম্পিয়ন

অথচ অনেক হিসেব নিকেশ কষতে হয়েছিল মাহমুদউল্লাহ একাদশের ফাইনালে উঠতে। লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে রান রেটে এগিয়ে থেকে জয় পেলেই ফাইনালে ওঠার কথা ছিল তামিম একাদশের। শেষ পর্যন্ত নাজমুল একাদশের কাছে সহজ ম্যাচ হেরে মাহমুদউল্লাহদের ফাইনালে খেলার পথ পরিষ্কার করে দেয় তামিমরা। আজ ফাইনালে নাজমুল একাদশের মুখোমুখি হয় মাহমুদউল্লাহ একাদশ। লিগ পর্বে নাজমুলদের কাছে দুই ম্যাচের দুটিতেই হেরে যায় মাহমুদউল্লাহরা। আজ ফাইনালে বলা যায় হেসে খেলেই হারিয়েছে নাজমুলদের।

১৭৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ওপেনার লিটন দাসের ১০ চারে ৬৮ (৬৯) রানের ইনিংসটাই ব্যবধান গড়ে দেয় ম্যাচের। এছাড়া ইমরুল কায়েসের ৫৩ আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ২৩ রানে ভর করে ২৯ ওভার ৩ বলে ৭ উইকেটের জয় তুলে নেয় মাহমুদউল্লাহ একাদশ। দুপুরে টস জিতে নাজমুলদের ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় মাহমুদউল্লাহ। ব্যাট করতে নেমে সুমন খানের তোপে দাঁড়াতেই পারেনি সৌম্য-মুশফিকরা। সাইফ হাসানকে ৪ রানে ফিরিয়ে শুরু করেন সুমন খান। এরপর মুশফিকুর রহিমকে ১২ রানে এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলে ফেরান সুমন খানই।

সৌম্য ৫ রান করে বিশ্রামে যান, বিশ্রাম থেকে ফিরে যোগ করতে পারেননি কোনো রান। তাকেও সাজঘরে ফেরান সুমন। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত মিরাজের শিকার হবার আগে করেন ৩২ রান।

দলের যখন বেহাল দশা তখন ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা টুর্নামেন্টের অন্যতম সফল ব্যাটসম্যান ইরফান শুক্কুরের। তৌহিদ রিদয়কে নিয়ে লম্বা করতে থাকেন ইনিংস। রিদয় ৫৩ বলে ২৬ রান করে ফিরলেও ইরফানের ব্যাটে আসে ৭৭ বলে ৭৫ রান। শেষ দিকে নাঈম হাসান আর তাসকিনকে ফিরিয়ে ৫ উইকেট পূর্ণ করেন সুমন খান।

আরও পড়ুন
Loading...