মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আর্দশে ও নির্দেশে করোন মহামারীতে মানব কল্যাণে আওয়ামী অঙ্গসংগঠন

যারা কথায় কথায় ধর্মের ট্যাবলেট খেয়ে আওয়ামী নাস্তিক বলে গালি দেয় তারা এখন কোথায়? করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে এখন প্রতিদিন গড়ে ২০জনের মত মারা যাচ্ছে। যারা মারা যাচ্ছে তাদের লাশ দাফন করার মত কেউ নাই, জানাজা দেয়ার মত কেউ নাই। যখন একজন মুসলমানের লাশ পড়ে থাকে, কেউ ভয়ে এগিয়ে আসে না, তখন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, সেচ্ছাসেবক লীগের ভাইয়েরাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জানাজা দিচ্ছে, লাশ দাফন করছে।

একজন মুসলিম হিসেবে জানাজা অবশ্যই আপনার প্রাপ্ত। আমরা আসলে ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজনীতি করতে পারি, ধর্মান্ধ হতে পারি, কিন্তু প্রকৃত মানুষ হতে পারি না। বাংলাদেশে একদল আছে তারা শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণে ধর্মকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে আপনি আর আমি মুসলিম হওয়া সত্ত্বেও রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকায় কথায় কথায় নাস্তিক বলে গালি দেয়, এটা ওদের জন্মগত সমস্যা। ১৯৭১সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ও ওদের বাপ দাদারা ধর্মের দোহাই দিয়ে এদেশের স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছিল। ওরা পবিত্র ইসলাম ধর্মকে ওদের স্বার্থে যখন যেখানে যেভাবে প্রয়োজন সেভাবেই ব্যবহার করে, ওরা যা করবে তা’ই সঠিক। আমরা কেমন মুসলমান? ৯০ভাগ মুসলমানের দেশে একজন মুসলমান মারা গেলে তার লাশ দাফন করার মত মানুষ খুঁজে পাওয়া যায় না। মসজিদের খাটিয়া দেওয়া হয় না। কিন্তু, আমরা কথায় কথায় ধর্মের চেতনা দেখাই।

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে মসজিদ খুলে দেয়ার কথা বলি, কিন্তু মসজিদে মুসল্লি নাই। আমরা জাস্টিন ট্রুডোর মত প্রধানমন্ত্রী চাই, কিন্তু এই দেশের সরকারের নিয়মনীতি মানতে নারাজ। আমাদের কে যদি সরকার করোনাভাইরাসের মহামারী সম্পর্কে সতর্ক করে, ঘরে থাকতে বলে, তখন আমরা বলি, “মুসলমানদের করোনা হয় না, এটা তো ইহুদিদের জন্য। ছবিতে যেই মানুষটি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মৃত ব্যক্তির জানাজা দিচ্ছেন তার নাম Liton Sarkar একজন সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা। যখন করোনায় মৃত ব্যক্তির লাশ দাফনে কেউ এগিয়ে আসেনি তখন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের এই সৈনিক এগিয়ে এসেছেন, জানাজা দিয়েছেন, এবং লাশ দাফন করেছেন।

আরও পড়ুন
Loading...