ব্যালন ডি’ অর মেসিরই প্রাপ্য: ক্যানাভারো

ইতালির কিংবদন্তি ডিফেন্ডার ফ্যাবিও ক্যানাভারো মনে করেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসিই এবারের ব্যালন ডি’ অর পাওয়ার যোগ্য।

দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবলের সর্বোচ্চ এই আসরে চারটি গোল ও পাঁচটি অ্যাসিস্ট করেছেন বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে দুর্দান্ত পারফমেন্স উপহার দিয়েছেন ৩৪ বছর বয়সী মহাতারকা। তার নেতৃত্বেই ২৮ বছরে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে জিতেছে আলবেসিলেস্তেরা।

২০০৫ সালে জাতীয় দলের ক্যারিয়ার শুরু হয় লিও মেসির। ২০০৭ সালে কোপা আমেরিকার ফাইনালে উঠেছিল আর্জেন্টিনা। ব্রাজিলের কাছে হেরে শিরোপা বঞ্চিত হতে হয়। ২০১৫ ও ২০১৬ মেসির অধিনায়কত্বে ফাইনাল খেললেও টানা দুই দফা চিলির বিপক্ষে জয় বঞ্চিত হয় দলটি। ২০১৪ সালে জার্মানির কাছে বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের ক্ষত ছিল তখনও তাজা।

এবারের কোপায় প্রথম ম্যাচে ড্র করলেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখে মেসির দল। কোয়ার্টারে ইকুয়েডর ও সেমিফাইনালে কলোম্বিয়াকে পরাস্ত করে ফাইনাল নিশ্চিত করে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। শিরোপার লড়াইয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের বিপক্ষে ১-০ গোলে জয় পায়। ফলে ১৯৯৩ সালের পর প্রথমবার শিরোপা উল্লাসে মারে দিয়েগো ম্যারাডোনার উত্তরসূরীরা। সেরা গোলদাতা ও সেরা খেলোয়াড়ের খেতাব মেসিই নিজ দখলে নেন।

প্রতি বছর সেরা খেলোয়াড়দের ব্যালন ডি’ অর দিয়ে আসছে ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিন কর্তৃপক্ষ। লিওনেল মেসি রের্কড ছয়বার এই পুরস্কার জিতেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো জিতেছেন পাঁচবার।

ইতালির অধিনায়ক হিসেবে ২০০৬ সালে বিশ্বকাপ জিতেছেন ফ্যাবিও ক্যানাভোরো। ওই বছর ব্যালন ডি’ অরও নিজের করে নিয়েছিলেন এই সেন্টারব্যাক।

টুটো স্পোর্টসকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেছেন, ‘অবশ্যই মেসি বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড়। তিনিই কোপা আমেরিকার জয়ের নায়ক। তাই ব্যালন ডি’ অর তারই প্রাপ্য।’

চলতি মৌসুমে আর্জেন্টিনা ও বার্সেলোনার হয়ে ৪৪ গোল করেছেন মেসি। অ্যাসিস্ট করেছেন ১৯টি। বার্সার হয়ে কোপা দেল রে ও আর্জেন্টিনার পক্ষে কোপা আমেরিকা জিতেছেন। লি লিগার সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে পিচিচি পুরস্কারও নিজের করে নিয়েছেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.