বন্ধ হচ্ছে খালেদা-তারেকের নেতৃত্বের পথ

দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্ব টিকিয়ে রাখতে দলীয় গঠনতন্ত্র সংশোধন চেয়ে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করে বিএনপি। একই বিষয়ে হাইকোর্টে একটি রিট করলে তা এক মাসে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন উচ্চ আদালত। এর ফলে বিএনপিতে খালেদা-তারেকের নেতৃত্বের পথ বন্ধ হতে পারে।

আদালত সূত্রের তথ্যানুযায়ী, দু’টি দুর্নীতির মামলায় ১০ ও ৭ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে খালেদা জিয়ার। তার বড় ছেলে তারেক রহমানেরও দুর্নীতির দুটি মামলায় ৭ ও ১০ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। এছাড়া ২১শে আগস্ট মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে তারেকের। এ সব দণ্ডাদেশ মাথায় নিয়ে তিনি যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন।

নয় মাস আগেও বিএনপির গঠনতন্ত্রে দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত ব্যক্তিদের দলীয় কমিটিতে না রাখার বিধান ছিল। কিন্তু এক সংশোধনীর মাধ্যমে তা বাদ দেওয়া হয়। মোজাম্মেল হোসেন নামের এক ব্যক্তি বিএনপির গঠনতন্ত্রের এ সংশোনীকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছিলেন। একই সঙ্গে তিনি বিএনপি গঠনতন্ত্রের সংশোধনের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট করেন।

এক আদেশে ওই আবেদন এক মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে বলেছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে ওই আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দলটির সংশোধিত গঠনতন্ত্র গ্রহণ না করতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রিট আবেদনটির প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার রুলসহ অন্তর্বর্তীকালীন এ আদেশ দেন।

এ আদেশের ফলে নয় মাস আগে আনা বিএনপির গঠনতন্ত্রের ওই সংশোধনী আপাতত কার্যকর থাকছে না। এতে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দলীয় নেতৃত্বে রাখা সম্ভব নয়। পাশাপাশি নির্বাচনে তাদের দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার সুযোগ আপাতত থাকছে না।

Leave A Reply

Your email address will not be published.