বগুড়ায় নিখোঁজ দুই অটোচালকের লাশ উদ্ধার

বগুড়ায় পৃথক ঘটনায় নিখোঁজ দুই অটোরিকশা চালকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে শাজাহানপুর ও আদমদীঘি উপজেলা থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়। মৃতরা হলেন, কাহালু উপজেলার জামগ্রামের গোলাম রব্বানীর ছেলে সাব্বির আহমেদ ও নওগাঁ জেলার রানীনগর উপজেলার সেকেন্দার ফকিরের ছেলে শামীম ফকির। তারা দুজনই ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন। পরে আর বাসায় ফিরেনি।

সাব্বিরের লাশ শাজাহানপুর উপজেলার খরণা ইউনিয়নের জগন্নাথপুর এলাকায় রাস্তার পাশের ডোবা থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয় ও শামীমের লাশ আদমদিঘী উপজেলার নসরতপুর ইউনিয়নের ধনতলা ম্যানকাপাড়া গ্রামের সিদ্দিক হাজীর আবাদী জমি থেকে উদ্ধার করা হয়।

শাহাজাহানপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানায়, সাব্বিরের বাবা ইজিবাইক চালক। করোনাতে স্কুল বন্ধ থাকায় সাব্বির ইজিবাইক চালিয়ে বাবাকে সহযোগিতা করে আসছিল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইজিবাইকসহ সাব্বির নিখোঁজ হয়। এরপর আর তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। ওইদিন রাতে কাহালু থানায় জিডি করে তার পরিবার।

তিনি আরো জানান, সাব্বিরের গলায় ফাঁস লাগানোর চিহ্ন রয়েছে। ছিনতাইকারীরা ইজিবাইক ছিনিয়ে নিয়ে সাব্বিরকে গলায় রশি দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করে পুকুরে ফেলে রেখে গেছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে আরেকটি পৃথক ঘটনায় আদমদিঘী সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) নাজরান রউফ বলেন, বুধবার শামিম তার অটোরিকশা নিয়ে রানীনগর থেকে শ্বশুরবাড়ি আদমদিঘী উপজেলার কুসুমদি যাওয়ার জন্য সন্ধ্যায় অটোরিকশা নিয়ে বের হয়। এরপর বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয়রা তার লাশ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দিলে আমরা লাশটি উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরো বলেন, মৃতের স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসেছেন। আমরা এখনো নিশ্চিত নয় ঠিক কি কারণে শামীমকে হত্যা করা হয়েছে।

উভয় ঘটনায় লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.