জাতীয়

বইমেলা

  তানিয়া মুসলিম মুক্তা : ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ , ১১:৪৯:৫৫ প্রিন্ট সংস্করণ

বই কিনে কেউ কখনো দেউলিয়া হয় না একথা শুনে আসছি আমরা ছোটবেলা থেকে। আর এই বই কেনা বই পড়ার প্রতি মানুষের আগ্রহ ইচ্ছা জাগানোর জন্য শুরু হয় বইমেলা। বইমেলা শিশু থেকে বৃদ্ধ সব বয়সের জন্য যেন এক জ্ঞানের ভান্ডার নিয়ে আসে। যেখানে আমরা পাই নতুন গল্প কবিতা উপন্যাস এবং নতুন নতুন কবি লেখক। যাদের এই লেখা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে সুস্থ্য সুন্দর পথ দেখায়। কিন্তু এই বইমেলায় যদি
এমন নিকৃষ্ট বই ছাপিয়ে বিক্রি করা হয় তাহলে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম নোংরা বিকৃতি বই পড়ে তাদের মধ্যেও ইচ্ছে জাগতে পারে সেই পথে নিজেকে পরিচালিত করতে। যেই বইতে লিখা থাকবে একজন বৃদ্ধ অথবা বৃদ্ধা শেষ বয়সে সংসার ভাঙার গল্প ছেলেমেয়েদের বাবা অথবা মায়ের নিকৃষ্ট কুকর্মের জন্য লজ্জিত হয়ে সমাজে মুখ না দেখাতে পারার গল্প। অথবা কোন এক বাবা-মায়ের এক সন্তান যে নাকি এমন কলঙ্কিত লজ্জিত কাজ করার কারণে ঘর থেকে বের হওয়ার মত অবস্থা মা-বাবা রাখেনা। এমন যেন এই ডিজিটাল সমাজে হরহামেশে হয়ে আসছে। সেই সমস্ত নোংরা কাহিনী যদি নিজেদের গল্প নিজেরাই বই আকারে বের করে সমাজের সমস্ত মানুষদের দ্বারে পৌছে দেওয়ার চেষ্টা করে যে আমরা কতটা নোংরা নিকৃষ্ট মানুষ তোমরা দেখো। আমাদের সমাজের কিছু সংখ্যক মানুষ এখনো ভালোটা না নিয়ে খারাপটাই বেশি পছন্দ করে তাহলে তাদের জন্য এই লেখাগুলো ভয়ানক এক ইশার আকার নিতে পারে অথবা সে কাজটা তার মধ্যেও করার ইচ্ছা জাগতে পারে। তাই এই কুৎসিত অসামাজিক লেখক কে সমাজের কাছে না তুলে ধরে তাদের বই না ছাপিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তাদেরকে বয়কট করুন। আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের হাতে তুলে দিন ভালো বই। মানুষের বই লেখার- পড়ার ও কেনার ইচ্ছা যেন আরও বেড়ে যায়। আর প্রকৃত লেখক কবি তারা যেন তাদের প্রকৃত সম্মান পায়। যারা এই নোংরা বই লেখে তাদের জন্য বইমেলা হোক নিষিদ্ধ জায়গা।

আরও খবর

Sponsered content