পেনাল্টিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিদায় করলো সুইসরা

এই এক অন্যতম রাত। ফুটবল প্রেমিদের জন্য ম্যাচটি রোমাঞ্চে ভরা ছিলো। বিশ্বকাপজয়ীদের এমন হার হয়তো অনেকে মেনে নিতে পারেনি। ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ড ম্যাচে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের নজির তৈরি হয়েছে। সোমবার রুমানিয়ার বুখোরেস্টে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি নির্ধারিত সময়ে ৩-৩ সমতায় শেষ হয়।

ফ্রান্স ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিল, সেখান থেকে ৩-৩ সমতা ফেরায় সুইজারল্যান্ড। ম্যাচটি গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সে সময়ের মধ্যে কোন দল গোল না পেয়ে ম্যাচটি গড়িয়েছে টাইব্রেকারে। যেখানে ৫-৪ গোলে জয় পেয়েছে সুইজারল্যান্ড। কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিটেও পায় দলটি। ইউরোতে ম্যাচের ১৫ মিনিটেই বিশ্বকাপজয়ী ফ্রান্সকে চমকে দেয় সুইজারল্যান্ড। হারিস সেফারোভিচের গোলে লিড নেয় ভ্লাদিমির পেতকোভিচের শিষ্যরা।

করিম বেনজেমা, পল পগবারা অনেকটাই ম্যাচের ভাগ্য নিশ্চিত করে ফেলেছিলেন। ফ্রান্সের প্রথম চারটি শট জালে জড়ালেও শেষ শটটি মিস করে বসেন কিলিয়ান এমবাপে। ‘খলনায়কে’ পরিণত হলেন বিশ্বকাপজয়ী ফরাসি তরুণ কিলিয়ান এমবাপ্পে। তার শটটি রুখে দেন সুইস গোলরক্ষক ইয়ান সমার। টাইব্রেকারে সুইসরা পাঁচটি শট জালে জড়িয়ে জয় নিশ্চিত করে ফেলেন।

১৫ মিনিটে হারিস সেফেরোভিচ হেডে বল জালে জড়ালে এগিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড। প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-০ গোলে এগিয়ে থেকেই। কিন্তু ৫৫ মিনিটে রদ্রিগেজের নেওয়া পেনাল্টি রুখে ফ্রান্সকে ম্যাচে রাখেন গোলরক্ষক ও অধিনায়ক হুগো লরিস। দুই মিনিটের মধ্যে কারিম বেনজেমার দুই গোলে করেন। তাতে ২-১ গোলে এগিয়ে যায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। ৭৫ মিনিটে ডি-বক্সের বেশ খানিকটা বাইরে থেকে দেখার মতো এক গোল করেন পল পগবা। তাতে ৩-১ এ লিড পায় বিশ্বকাপজয়ীরা।

তবে ফ্রান্সের এই দাপুটে কামব্যাকেও হাল ছাড়েনি সুইজারল্যান্ড। ৮১ মিনিটে সেফারোভিচের দ্বিতীয় গোলে আশা জিইয়ে রাখে সুইজারল্যান্ড। পরে ৯০ মিনিটে মারিও গাভরানোভিচ আরেকটি গোলের জাল খুঁজে নেন। তাতে সমতায় শেষ হয় নির্ধারিত সময়ের খেলা।

Leave A Reply

Your email address will not be published.