পর্তুগালে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন

যথাযথ মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপিত হয়েছে। বুধবার সকালে চ্যান্সারি প্রাঙ্গণে রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান দূতাবাসের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচীর সূচনা করেন। এ উপলক্ষে ব্যানার, পোস্টার এবং ফেস্টুনের সমন্বয়ে দূতাবাসকে বর্ণিল সাজে সজ্জিত করা হয়।

পরে পর্তুগাল সরকারের নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে চ্যান্সারি প্রাঙ্গণে এক উৎসবমুখর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানের শুরুতে রাষ্ট্রদূত দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে দূতাবাসের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকীর কেক কাটেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত। এরপর দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পাঠানো বাণী পাঠ করা হয়। এরপর বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের উপর অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের লক্ষে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসরণের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান তার বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে সব শিশু কিশোরের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন জানান। রাষ্ট্রদূত বলেন, বাঙালির অধিকার আদায়ের আপসহীন সংগ্রামে, বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশে আর প্রগতিশীল মূল্যবোধের অগ্রায়নে বঙ্গবন্ধু তার সমগ্র সত্তাকে নিয়োজিত করেন। বঙ্গবন্ধু জন্ম নিয়েছিলেন বলেই আজ আমরা একটি স্বাধীন দেশের অধিবাসী এবং জাতি হিসেবে মেধা ও মননে পরিপূর্ণ রূপে বিকশিত হতে পারছি।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে দূতাবাস পর্তুগাল প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে দুটি পৃথক বয়সের ক্যাটাগরিতে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। এ সময় বিজয়ীদের পুরস্কার ও সব প্রতিযোগীকে সনদপত্র প্রদান করা হবে।

যদিও করোনার কারণে পর্তুগিজ সরকার কর্তৃক আরোপিত বিধি-নিষেধ মেনে সীমিত পরিসরে দূতাবাস এ বছর এ কর্মসূচী আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের এবং সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের কামনায় মোনাজাত করা হয়।

আরও পড়ুন
Loading...