পরীমনির ভাঙচুর ও মাতলামির সত্যতা পেয়েছে পুলিশ

ঢালিউডের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি। সম্প্রতি তিনি ঢাকা বোট ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য (বিনোদন ও সংস্কৃতি) নাসির ইউ মাহমুদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ করেন। পরীমনির দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার করা হয় মামলার প্রধান আসামি নাসির ও দ্বিতীয় আসামি অমিসহ পাঁচজনকে।

কিন্তু দিন যতই যাচ্ছে ততই যেন ঘোলা হচ্ছে পানি। ৯ জুন মধ্যরাতে বোট ক্লাবে পরীমনির সঙ্গে কী ঘটেছিল, তার আদ্যোপান্ত জানতে নানামুখী কাজ করছে গোয়েন্দা পুলিশ। এরই মধ্যে বোট ক্লাবের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছেন তারা। কথা বলেছেন এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে। এমনকি পরীমনির কাছ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে জানতে চাইবে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

প্রাথমিক তদন্তে বোট ক্লাবের ঘটনার সঙ্গে পরীমনির অভিযোগের অনেক কিছু মিলছে না বলে মনে করছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে, পুলিশ গুলশান অল কমিউনিটি ক্লাবে পরীমনির ভাঙচুর ও মাতলামির সকল সিসিটিভির ফুটেজ পরীক্ষা করে সত্যতা পেয়েছে। এখন পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে বোট ক্লাবের ফুটেজগুলো। প্রয়োজনে পুলিশ পরীমনি ও তার সঙ্গীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।

এদিকে নতুন খবর হলো, রাজধানীর বিভিন্ন ক্লাব ও বার থেকে নিষিদ্ধ হচ্ছেন আলোচিত নায়িকা পরীমনি। সাম্প্রতিক তার ঘটানো বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়েই সবাই এ সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। এর মধ্যে সামাজিক ক্লাবগুলোর কর্তৃপক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে পরীমনিকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে।

পরীমনি কিংবা তার মত কাউকে ক্লাবে কোনো সদস্য নিয়ে গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। শুধু তাই নয়, কোন অনাকাংঙ্খিত ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট সদস্যের সদস্যপদও বাতিল করা হবে।

এছাড়া ক্লাব ও বারগুলোর এ সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছেন চলচ্চিত্র প্রযোজক, পরিচালক, শিল্পী ও প্রদর্শকরা। তারা বলছেন, ব্যক্তি বিশেষের দায়ভার কোনোভাবেই পুরো চলচ্চিত্র জগত নিতে পারে না। পরীমনি বাংলাদেশের সিনেমার বড় ধরণের ক্ষতি সাধন করেছেন। নেতিবাচক ধারণা তৈরি করেছেন চলচ্চিত্র জগত সম্পর্কে। তার কারণে ক্ষতির শিকার হচ্ছেন অন্য অভিনেত্রীরাও।

Leave A Reply

Your email address will not be published.