নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনের দ্বারপ্রান্তে খুবি গবেষকরা

টিস্যু কালচারের মাধ্যমে নতুন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন একটি নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) গবেষকরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন গবেষক নতুন এই জাত নিয়ে কাজ করছেন। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ ফায়েকউজ্জামান এই গবেষণা প্লটের ধানের নমুনা ফসল কাটা আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন।

প্রধান গবেষক অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম জানান, নতুন এই ধানের সারিটি কেইউএটি-১৭০১ নামে মূল্যায়িত হচ্ছে। আগামী বছর বৃহত্তর খুলনা ও যশোর জেলার বিভিন্ন জায়গায় মাঠপর্যায়ে সারিটি মূল্যায়ন করা হবে এবং পরবর্তী সময়ে চূড়ান্তভাবে জাত নির্বাচনের জন্য আবেদন করা হবে। তিনি বলেন, ২০১৭ সালে এগ্রো টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্লান্ট ব্রিডিং এবং বায়োটেকনোলজি ল্যাবরেটরিতে খুলনা অঞ্চলের তিনটি জাতের ধান (রানী স্যালুট, কাচড়া ও চিনি আতপ) টিস্যু কালচার পদ্ধতিতে দেহকোষে মিউটেশন (সোমাক্লোন) ঘটিয়ে উন্নত জাত তৈরির লক্ষ্যে এই গবেষণা শুরু হয়।

গবেষণায় বেশকিছু টিস্যু কালচার গাছের ভেতর থেকে রানী স্যালুট জাতের একটি গাছকে নির্বাচন করা হয়, যা মাতৃগাছের চেয়ে অন্তত এক মাস আগে ফলন দেয় এবং এর বীজ মাতৃগাছের বীজের থেকে আকারে অনেক ছোট। নেট হাউসে প্রাথমিক গবেষণায় এ ধানের ফলন মাতৃগাছের তুলনায় বেশি পাওয়া যায়। অধ্যাপক মনিরুল জানান, চলতি আমন মৌসুমের ২৯ জুলাই এই ধানের বীজ বপন করা হয়। এ বছরও মাঠের সার্বিক পরিস্থিতি আশাব্যঞ্জক। রানী স্যালুট ধানের গায়ের রং হালকা সোনালি এবং চিনি আতপের মতো আকর্ষণীয়।

আরও পড়ুন
Loading...