দেখা করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাড়িতে বাবুনগরী

লকডাউনের মধ্যে কী কারণে বাবুনগরী ও জিহাদি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গেলেন, সে বিষয়ে হেফাজতের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তরফেও কেউ কিছু বলেনি।

এর আগে গত ৪ মে নুরুল ইসলাম জিহাদীর নেতৃত্বে হেফাজতের নেতারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তখন তারা সাম্প্রতিক সহিংসতার মামলায় দেশজুড়ে গ্রেপ্তার হওয়া হেফাজত নেতাদের ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠনটির অন্তত ৫০ জন নেতাকর্মী সম্প্রতি শুধু ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের হাতেই গ্রেপ্তার হয়েছেন। এর আগে ১৯ এপ্রিলও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন হেফাজতের নেতারা।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফরের বিরোধিতায় হেফাজতে ইসলাম গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে তাণ্ডব চালায়। এরপর পুলিশ হেফাজতের নেতাদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। চট্টগ্রামের হাটহাজারীর মামলায় বাবুনগরীর ব্যক্তিগত সহকারী ইন’আমুল হাসান ফারুকীকেও গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি, হেফাজত নেতারা নাশকতার বড় ধরনের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছিলেন, যার চূড়ান্ত লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্রক্ষমতা দখল।

পুলিশের গ্রেপ্তার অভিযানের মধ্যে হেফাজতের আগের কমিটি ভেঙে বিতর্কিত কয়েকজনকে বাদ দিয়ে নতুন কমিটি গঠন করা হয়। তাতেও বাবুনগরীই আমির পদে থাকেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.