ছয় মাসেই টিকা উৎপাদন করতে সংসদীয় কমিটির জোরালো সুপারিশ

আগামী ছয় মাসের মধ্যে ওষুধ প্রস্তুতকারী একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান এসেনশিয়াল ড্রাগসের মাধ্যমে করোনার টিকা উৎপাদন করার জোরালো সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।

মঙ্গলবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।

চীনা কোম্পানি সিনোফার্মের তৈরি করোনার টিকা বাংলাদেশে এনে বোতলজাতকরণ ও সরবরাহের জন্য বাংলাদেশ সরকার ও বেসরকারি ওষুধ উৎপানকারী প্রতিষ্ঠান ইনসেপটা ভ্যাকসিন লিমিটেডের মধ্যে যৌথ চুক্তিতে সই করার একদিন পরেই সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ এলো।

সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, আমরা আজকের বৈঠকে এ বিষয়ে জোরালোভাবে বলেছি। আগামী ছয় মাসের মধ্যে এসেশিয়াল ড্রাগসের মাধ্যমে টিকা উৎপাদন করতে হবে। টিকা উৎপাদনের ক্ষেত্রে দুই দেশের সরকারের মধ্যে (জিটুজি) চুক্তি করার জন্যও বলেছি আমরা।

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কোভিশিল্ডের তিন কোটি ডোজ চুক্তি করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেরাম ইনস্টিটিউট দুই চালানে ৭০ লাখ ডোজ পাঠানোর পর ভারত রফতানি বন্ধ করে দিলে টিকার সংকটে পড়ে বাংলাদেশ। পরে অন্য উৎস থেকে টিকা সংগ্রহের চেষ্টা শুরু করে সরকার। জরুরিভাবে দেশে সিনোফার্ম ও রাশিয়ার স্পুটনিক-ভি টিকার অনুমোদন দেওয়া হয়। চীন ও রাশিয়া থেকে কেনার পাশাপাশি দেশে যৌথ উৎপাদনের আলোচনাও তখনই শুরু হয়।

এরই প্রেক্ষাপটে সোমবার (১৬ আগস্ট) সরকার ও ইনসেপটার মধ্যে হওয়া চুক্তির আওতায় চীন থেকে বাল্ক টিকা এনে বাংলাদেশে ভায়ালে ভরা এবং লেবেলিংয়ের কাজটি করবে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের কাছ থেকে সরকার সেই টিকা কিনে নেবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.