চোখের নানাবিধ রোগ প্রতিরোধক লাউ শাক

পুষ্টিগুণে পরিপূর্ণ লাউ শাক। যা খুব সহজেই বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। দামেও বেশ সস্তা। অনেকেই আবার বাড়ির ছাদেও লাউ গাছ লাগিয়ে থাকেন। যাতে তারা রাসায়নিক মুক্ত লাউ ও শাক খেতে পারেন।

লাউ শাক নানা ভাবেই খাওয়া যায়। তবে আমাদের দেশে এই শাক ভর্তা, ঝোল, মাছের সঙ্গে খাওয়ার প্রচলন রয়েছে। ছোট কিংবা বড় উভয়ের জন্যই লাউ শাক দারুণ উপকারী। তাইতো প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এই শাকটি রাখা জরুরি।

লাউ শাকে রয়েছে ফলিক এসিড, আয়রন, পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম এবং ভিটামিন-সি। আবার এই শাকে আছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ। যা শরীরস্বাস্থ্য সুস্থ ও সবল রাখতে দারুণভাবে কার্যকর।

চলুন এবার জেনে নেয়া যাক লাউ শাকের কিছু উপকারিতা সম্পর্কে-

>> প্রচুর আঁশ থাকার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে লাউ শাক। এছাড়া পাইলস প্রতিরোধেও সহায়ক।

>> লাউ শাকে রয়েছে উচ্চ মাত্রার ভিটামিন-সি। যা  বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ ও ঠাণ্ডা প্রতিরোধে সাহায্য করে।

>>  লাউ শাক দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। তাই লাউ শাক খেলে মস্তিষ্ক থাকবে ঠাণ্ডা এবং ঘুমও হবে গভীর।

>> আয়রন থাকার কারণে লাউ শাক রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ এবং লোহিত রক্ত কনিকার সংখ্যা বাড়িয়ে রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে।

>> লাউ শাকে থাকা ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম হাড় শক্ত ও মজবুত করে। অস্টিওপোরেসিস এবং অন্যান্য ক্যালসিয়ামের অভাবজনিত রোগের ঝুঁকি কমায় লাউ শাক।

>> লাউ শাক কোলেস্টেরল ও ফ্যাট মুক্ত। আবার ক্যালরি কম থাকায় ওজন কমানোর জন্য লাউ শাক হলো একটি আদর্শ খাবার। এই শাকে থাকা পটাশিয়াম হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে।

>> বিটা-ক্যারোটিন, লুটেইন এবং জিয়েজ্যান্থিনে পরিপূর্ণ হলো লাউ শাক। বিটা-ক্যারোটিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং লুটেইন ও জিয়েজ্যান্থিন চোখের নানাবিধ রোগ প্রতিরোধ করে থাকে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.