গণমাধ্যমের প্রতি অপূর্বর হুঁশিয়ারি

গণমাধ্যমকে হুঁশিয়ার করে জিয়াউল ফারুক অপূর্ব বলেন, ‘তৃতীয় কাউকে জড়িয়ে কোনো ধরনের ‘ভুয়া’ সংবাদ প্রকাশ করলে আমি তাদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ব্যবস্থা নেবো।’ রোববার (১৭ মে) অপূর্ব-অদিতির বিবাহ বিচ্ছেদের পর থেকে একজন অভিনেত্রীর নাম ভেসে বেড়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এছাড়াও কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়। মূলত সেই খবরের সূত্র ধরেই রোববার দিনগত রাত ২টার দিকে নিজের ফেসবুক পেজের মাধ্যমে হুঁশিয়ারি দেন টিভি অভিনেতা অপূর্ব।

তিনি নিজের ফেসবুক পেজে লেখেন, ‘ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে গসিপ করা এবং তির্যক, মিথ্যা, বানোয়াট মন্তব্য করে তাদের কষ্ট বাড়িয়ে দেওয়ার মতো খারাপ কাজ গুলো থেকে সবাই বিরত থাকবেন। এবং এর মধ্যে রসালো কোন গল্প তৈরী করে সংবাদ করার চেষ্টা করবেন না, প্লিজ।’ অদিতি সম্পর্কে অপূর্ব লেখেন, ‘অত্যন্ত সম্মানের সাথে জানাচ্ছি, আমি এবং আমার স্ত্রী অদিতি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ সমাধানের মধ্যদিয়ে সম্পর্কের আইনগত ইতি টেনেছি। কোনও সংবাদমাধ্যম এই ব্যাপারটাতে তৃতীয় কাউকে জড়িয়ে কোনও ধরণের ভুল সংবাদ প্রকাশ করলে আমি তাদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ব্যবস্থা নেবো। ইতোমধ্যে আমি প্রকাশিত কিছু সংবাদের লিংক সংগ্রহ করেছি।’

অপূর্ব অদিতির প্রসঙ্গ টেনে আরো লেখেন, ‘আমি অদিতিকে সম্মান করি এবং আজীবন করবো। সুতরাং কোনোভাবেই অদিতিকে অসম্মান করে তার পাশে অন্য কারও নাম আমি সহ্য করবো না। ভুলে যাবেন না, অদিতি এখন আইনগত ভাবে আমার স্ত্রী না থাকলেও সে আমার সন্তানের মা।’ রোববার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নয় বছরের বিবাহ বিচ্ছেদের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অদিতি পোস্ট করার পরই ছড়িয়ে পড়ে।

এমন ঘটনার দুই ঘন্টা পর ফেসবুকে পুরো বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন নাজিয়া হাসান অদিতি। যেখানে অপূর্বকে ঘিরেই লেখেন অদিতি। এরপর অপূর্ব নিজেদের বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে পোস্ট দেন অপূর্ব। ২০১০ সালের ১৯ আগস্ট অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভাকে বিয়ে করেছিলেন অপূর্ব। যদিও এর পরের বছরের ফেব্রুয়ারিতেই ডিভোর্স হয়ে যায় তাদের। ওই বছরের ১৪ জুলাই অপূর্ব পারিবারিকভাবে নাজিয়া হাসান অদিতিকে বিয়ে করেন।

আরও পড়ুন
Loading...