কোনভাবেই স্থিতিশীল হচ্ছে না চালের বাজার

ইউসুফ রানা: সরকারের কোন পদক্ষেপই চালের বাজার স্থিতিশীল করতে পারছে না। এমনকি, বোরো মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন হওয়ার পরও বাজারে দফায় দফায় বাড়ছে চালের দাম। সরকারি সংস্থার হিসাব বলছে, যৌক্তিক মূল্যের চেয়ে কেজিতে ১১ টাকা পর্যন্ত বেশি মুনাফা করছে ব্যবসায়িরা। বাজার স্থিতিশীল করতে দ্রুত চাল আমদানি করার পরামর্শ দিয়েছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

চালের বাজার ক্রেতার নাগালে রাখতে মিল গেটে চালের দাম নির্ধারণ করা, চাল আমদানি করাসহ নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। এছাড়া, চলতি বোরো মৌসুমে ধানরে বাম্পার ফলন হয়েছে। তবুও চালের বাজার ক্রেতার নাগালে আসছে না। উল্টো দফায় দফায় বাড়ছে দাম। সাতদিনের ব্যবধানে রাজধানীর খুচরা বজারে প্রকারভেদে ২ থেকে ৫ টাকা বেড়েছে চালের দাম।

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের হিসাবে, যৌক্তি মূল্যের চেয়ে কেজি প্রতি ১ থেকে ১১ টাকা বেশি মুনাফা করছেন ব্যবসায়িরা।

আড়তদার এবং খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, চালের দাম স্থিতিশীল রাখতে সরকারের দেয়া নির্দেশনা বাজারে কার্যকর হয়নি। কয়েকজন মিলমালিক সারাদেশে চালের বাজার নিয়ন্ত্রন করেন বলেও অভিযোগ তাদের।

তবে মিল মালিকরা বলছেন, কৃষকের কাছ থেকে বেশি দামে ধান কিনছেন তারা।

বাজার স্থিতিশীল করতে দ্রুত চাল আমাদানি করার পরামর্শ দিয়েছেন বাজার বিশ্লেষক আহসান এইচ মনসুর।

একই সাথে সরকারকে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে ধান চাল সংগ্রহ বন্ধ করার পরামর্শ তার।

Leave A Reply

Your email address will not be published.