“কুষ্টিয়ায় জাতির পিতার ভাস্কর্য ভাঙ্গায় নানকের তিব্র প্রতিবাদ”

স্টাফ রিপোর্টার : গতকাল কুষ্টিয়ায় রাতের আধারে চোরের মত স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবের ভাস্কর্য যারা ভেঙেছে তারা বাংলাদেশের মানুষ হতে পারে না এরা রাষ্টদ্রহী। ১৯৭৫-এর ১৫ আগষ্ট রাতে যখন বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীন দেশে শান্তির নিদ্রায় মগ্ন তখন রাতের আধারে স্বাধীনতা বিরোধীরা চোরের মত বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারের সদস্যদের কাপুরুষের মত হত্যা করেছিলো। সেই ঘাপটি মারা সকুনের দল ঠিক তেমনি ভাবে রাতের আধারে কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভেঙেছে।

আমি পরিস্কার বলতে চাই ১৯৭৫ এর বাংলাদেশ আর আজকের শেখ হাসির নেতৃত্বের বাংলাদেশ এক ভাবা ঠিক নয়। দেশ যখন উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে দেশের মানুষ যখন খেয়ে পরে ভালো আছে ঠিক তখনই কোন ইস্যু না পেয়ে বিএনপি জামাতের পৃষ্ঠপোষকতায় এই তথাকথিত ইসলামি দলগুলোকে উস্কে দিয়ে ভাস্কর্যকে মূর্তির সাথে তুলনা করে দেশের ধর্মভিরু মানুষগুলোকে বিপদমুখি করছে। তাদের কথা শুনে মনে হচ্ছে পৃথিবীতে ইসলাম শুধু বাংলাদেশে, অন্যকোথাও কোন দেশে ইসলাম নাই।

সৌদি সহ বিশ্বের অনেক মুসলিম দেশে বিশেষ বিশেষ নেতা বা ব্যক্তিদের ভাস্কর্য আছে সেই দেশে মুসলমানরা বা ধর্মীয় নেতারা এর বিরোধিতা করছেনা বা ইসলামের দোহাই দিয়ে অরাজকতা করছে না অথচ বাংলাদেশে এটা কিসের আলামত? আসলে ভাস্কর্য বিষয় নয় বিষয় হচ্ছে ভাস্কর্য ইস্যু বানিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করা। আমরা বঙ্গবন্ধুর সৈনিকরা বেঁচে থাকতে স্বাধীন বাংলাদেশে সে সুযোগ তারা কখনো পাবে না। আমি এই সব রাষ্ট্র বিরোধী ষড়যন্ত্রকারীদের বলতে চাই এখনো সময় আছে সঠিক পথে আসুন নতুবা আওয়ামী লীগ সরকার দেশের স্বার্থে শান্তি প্রিয় জনগনের স্বার্থে বিন্দু মাত্র ছাড় দিবে না।

দেশ এগিয়ে যাচ্ছে দেশের মধ্যে এমন কোন পরিস্থিতি সৃষ্টি করবেন না যাতে করে বঙ্গবন্ধুর সৈনিকেরা রাজপথে নামতে বাধ্য হয়। আমি কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙ্গার তীব্র নিন্দা করছি এবং যে সব সন্ত্রাসী কুলাঙ্গাররা এই নেক্কার জনক কাজটি করেছে তাদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে গ্রেফতার করার দাবী জানাচ্ছি।

আরও পড়ুন
Loading...