কিডনি বিক্রি করে আইফোন ক্রয়

আইফোন বা অ্যাপেলের পণ্যের চাহিদা সব সময় রয়েছে। অনেকেই নিজেদের স্টেটাস সিম্বল হিসেবে আইফোন ব্যবহার করেন। আবার অনেকে সখে কেনেন আইফোন। তবে অ্যাপেলের ফোন হোক বা আইপ্যাড দাম সব সময় অনেকটাই বেশি। যা সাধারণ মানুষ চাইলেই সব সময় কিনতে পারেন না। কিন্তু চীনে এক কিশোর নিজের একটি কিডনি বিক্রি করে কিনে ফেলে আইফোন। স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানায় বিবিসি। ২০১১ সালের দিকে এই ঘটনা ঘটলেও বর্তমানে ওই কিশোরের অবস্থা শোচনীয়।

ওই তরুণের নাম ওয়াং শাংকুং। চীনের বাসিন্দা। তখন বাজারে এসেছে আইফোন-৪ এবং আইপেড-২। এই দুটি কেনার জন্য পাগল হয়ে ওঠে ওই কিশোর। কিন্তু তার পরিবারের সামর্থ্য ছিল না এই ফোন কিনে দেওয়ার। তখন ওই কিশোর সার্জারি করে ডান দিকের কিডনে বিক্রি করে দেয় কালোবাজারে। নিউজ ডট কম এইউয়ের বরাতে ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, কিডনি বিক্রির পর থেকে তার অবস্থা খারাপ হতে থাকে। কিডনের কাজ করা কমে যায়।

ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, ২০১১ সালের এপ্রিলে আইফোন কিনার জন্য ওই কিশোর বিক্রি করে দেয় কিডনে। কিডনি বিক্রি করে সাড়ে চার হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার পায় সে। সেই অর্থ দিয়ে আইফোন-৪ এবং আইপেড-২ কিনে। এই ঘটনা ওই কিশোর তার পরিবারের সদস্যদের জানায়নি। এরপর কেটে যায় ৯ বছর। হঠাৎ তাঁর শরীর খারাপ করতে থাকে। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করলে জানা যায়, একটি কিডনি নেই। তখনই জানা যায় আসল ঘটনা।

বর্তমানে তার অবস্থা শোচনীয়। ৯ বছর আগের ঘটনার খেসারত দিতে হচ্ছে তাকে। বেঁচে থাকতে প্রতিনিয়ত ডায়ালিসিস করাতে হচ্ছে। অন্যদিকে, ওই ঘটনায় ৯ জনকে আটক করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে, ভাইস, বিজনেস টুডে।

আরও পড়ুন
Loading...