করোনার সুরক্ষা ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে আওয়ামী লীগ

সারাদেশে বেড়ে যাওয়া করোনাভাইরাসের প্রকোপ প্রতিরোধে অক্সিজেন কন্সেন্ট্রেটর, সিলিন্ডার, খাদ্য ও করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

রোববার ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এসব সামগ্রী বিতরণ করে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটি।

এতে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরীর সভাপতিত্বে পরিচালনা করেন ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী। এ সময় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফি, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির প্রমুখ।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটির সদস্য ডা. হেদায়েতুল ইসলাম বাদল, রফিকুল ইসলাম রনি ও আখলাকুর রহমান মাইনুসহ অনেকেই।

সভাপতির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সফলভাবে করোনা মোকাবিলা করছি। মানুষকে সেবা করা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের শিখিয়ে গেছেন। মানুষের জন্য রাজনীতি করাও এক ধরনের ইবাদত। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে উন্নত জীবনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টাও ইবাদত। আজকে সারাবিশ্ব করোনায় আক্রান্ত। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। কিন্তু  একটি দল আছে, যাদের টাকা পয়সা আছে, ওষুধ কোম্পানি আছে, তারপরেও তারা হাত গুটিয়ে আছে। তারা শুধু সরকারকে গালিগালাজ করতে ব্যস্ত। তারা কখনো মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে, সে ইতিহাস নেই।

তিনি বলেন, ১৯৯১ সালে বিএনপির ক্ষমতার সময়েও ঘূর্ণিঝড়ের সময় আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা ট্রলারে ছুটে গেছেন দক্ষিণবঙ্গে। আর সে সময়ের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সংসদে বলেছিলেন, ‘যত মরার কথা ছিল তত মরেনি।’ তখন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, ‘কত মরলে আপনার তত হবে।’ আওয়ামী লীগ সব সময় মানুষের পাশে ছিল, এখনো আছে, আগামীতেও থাকবে বলেও মন্তব্য করেন বেগম মতিয়া চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে ৩টি অক্সিজেন কন্সেন্ট্রেটর, ৩০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার, ১ লাখ ২০ হাজার উন্নত মানের মাস্ক, দাঁতের মাজন, এন্টিসেপটিক সাবান, হ্যান্ডওয়াশ, ৩শ পিপিই ছাড়াও ১২শ খাদ্যসামগ্রীর প্যাকেট বিতরণ করা হয়।

Leave A Reply

Your email address will not be published.