কঠোর লকডাউনে ফ্লাইট চলাচলের বিষয়ে যা জানা গেল

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সোমবার থেকে সারাদেশে সাতদিনের কঠোর লকডাউন শুরু হচ্ছে। এই সময়ে জরুরি সেবা ব্যতীত সব যান চলাচল, সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। তবে কঠোর লকডাউনে ফ্লাইট নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

বেবিচকের ফ্লাইট স্ট্যান্ডার্ড ও রেগুলেশন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধের কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে এ বিষয়ে দিক নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত ৪ জুন ঘোষিত নির্দেশনা কার্যকর থাকছে। প্রবাসী কর্মীদের কাজে ফেরার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েই দেখছে বেবিচক। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ফ্লাইট নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বেবিচক।

৪ জুন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সর্বশেষ নির্দেশনা জারি করে। সেই নির্দেশনায় ১৯ দেশের ওপর বিভিন্ন শর্ত দেওয়া হয়েছে। আর্জেন্টিনা, বাহরাইন, বলেভিয়া, ব্রাজিল, ভারত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, প্যারাগুয়ে, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো ও উরুগুয়ে এই ১১ দেশ থেকে বাংলাদেশে আসা যাবে না। এমনকি বাংলাদেশ থেকেও যাওয়া যাবে না।

কুয়েত এবং ওমান থেকে দেশে এলে তিনদিন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। এছাড়া ছয়টি দেশ থেকে এলে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। দেশগুলো হলো- বেলজিয়াম, চিলি, কলম্বিয়া, কোস্টারিকা, ডেনমার্ক, গ্রীস।

নির্দেশনা অনুযায়ী দেশে আসতে হলে করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট থাকতে হবে। দেশে আসার পর ১৪ দিন হোটেলে নিজ খরচে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। এজন্য বিদেশ থেকে আসার আগেই হোটেল বুক করতে হবে। ভ্যাকসিন দুই ডোজ নিলেও কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় তথ্য অধিদফরের প্রধান তথ্য অফিসার সুরথ কুমার সরকার জানিয়েছেন, কঠোর লকডাউনে জরুরি সেবা ব্যতীত সকল সরকারি বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া জরুরি পণ্যবাহী ব্যতীত সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে শুধু যানবাহন চলাচল করতে পারবে। জরুরি কারণ ছাড়া বাইরে কেউ বের হতে পারবেন না। এ বিষয়ে বিস্তারিত আদেশ দিয়ে শনিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.