‘ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্ট দল চ্যালেঞ্জিং হবে’

তিন ম্যাচের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মনে করেন বাংলাদেশের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। সিরিজের তিন ওয়ানডে ম্যাচ যথাক্রমে- ৬ উইকেট, ৭ উইকেট ও ১২০ রানে জিতেছে বাংলাদেশ। তামিমের মতে, ওয়ানডে সিরিজের চেয়ে টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলিং অ্যাটাক অনেক বেশি ভালো। তাই টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষের বোলিং বড় হুমকির কারণ হতে পারে।

দুর্বল শক্তির ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশের পর তামিম বলেন,টেস্ট ভিন্ন বলের খেলা। করোনাভাইরাস আতঙ্কে বাংলাদেশ সফরে আসেননি ওয়েস্ট ইন্ডিজের উপরের সারির ১২জন খেলোয়াড়। তিনি আরো বলেন, ওয়ানডে সিরিজে আমরা যে বোলিং আক্রমনের বিপক্ষে খেলেছি, তার চেয়ে টেস্টে তাদের বোলিং একেবারেই ভিন্ন। সেখানে ২-৩ জন দারুণ বোলার আছে। তাই অবশ্যই টেস্ট সিরিজ চ্যালেঞ্জিং হবে। ২০১৮ সালে নিজেদের মাটিতে গতি দিয়ে বাংলাদেশকে বেকাদায় ফেলেছিলেন দুই পেসার শ্যানন গাব্রিয়েল ও কেমার রোচ। তারা এবারের সিরিজেও দলে আছেন।

২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে দুই ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে হেরেছিলো বাংলাদেশ। তবে ঐ বছরই ঘরে মাঠে সিরিজ হারের প্রতিশোধ নিয়েছিলো বাংলাদেশ। দুই ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতেছিলো টাইগাররা। তারপরও পেস ও আক্রমনাত্মক বোলিংএ বাংলাদেশকে চাপে রেখেছিলেন গ্যাব্রিয়েল ও রোচ।

টেস্ট সিরিজে গাব্রিয়েল ও রোচের মত অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের পাচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে তামিম জানান, যে দলই হোক না কেন, টেস্টে যেকোন চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ। তামিম বলেন, ওয়ানডে সিরিজের পাশাপাশি, আমরা টেস্ট সিরিজের জন্যও নিজেদের প্রস্তুত করেছি। ওয়ানডে সিরিজ চলাকালীন, আমাদের টেস্ট দল অনুশীলন করেছে। এখনো আমাদের হাতে ছয় বা সাত দিন সময় আছে। এই সময় আমাদের প্রস্তুত এবং টেস্ট মেজাজে যেতে যথেষ্ট।

আইসিসি নিষেধাজ্ঞা শেষে ওয়ানডের পর টেস্টেও সাকিব আল হাসানকে পাবে বাংলাদেশ। নিষিদ্ধ থাকাকালীন, ভারত-পাকিস্তান ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ম্যাচ মিস করেছিলেন সাকিব। ২০১৯ সালে ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্ট খেলেছিলেন সাকিব।

আরও পড়ুন
Loading...