বরেন্য ব্যক্তিত্ব

শাহ আবদুল করিম

শাহ আবদুল করিম

বরেন্য ব্যক্তিত্ব
নিজস্ব প্রতিনিধি: বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিম। কিংবদন্তী গীতিকার, লেখক, সুরকার শাহ আবদুল করিম দেশীয় ঐতিহ্য সৃষ্টিতে অনবদ্য স্বাক্ষর রাখতে সচেষ্ট হয়েছেন। সর্বদাই তার গানে আমরা মাটি, মানুষের গন্ধ পাই। শেষ বিকেলের পড়ন্ত আভার মতো আজও তিনি ভক্তকুলের মণিকোঠায়। প্রায় শত বছর বয়সী গীতিকার শাহ আবদুল করিম বয়সের ভারে শরীরে ক্লান্তি এলেও শরীর সমর্থন দিলে তিনি আজও চলে যান শিল্পীর প্রিয় নদীকূলে। ছোটবেলায় অত্যন্ত দারিদ্র্যতার মধ্যে তিনি বড় হলেও একতারাকে সাথী করে অসাধারণ কণ্ঠ আর নিজস্ব অনুভূতির সমন্বয়ে গানের ভুবনে নিজেকে ভাসিয়ে দেন। বাউল সম্রাট গুরুতর অসুস্থ হয়ে লন্ডনের রয়্যাল হাসপাতালে দীর্ঘ এক মাস চিকিৎসা শেষে কিছুটা সুস্থ হলেও দ্বিতীয়বারের মতো সিলেটের একটি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। প্রখ্যাত বাউল সম্রাট আবদুল করিম ১৯১৬ সালে সুনামগঞ্জের দুরাইন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। শত বাধা-বিপত্তি, দারিদ্র্রতা
আজ নায়করাজের জন্মদিন

আজ নায়করাজের জন্মদিন


Warning: printf(): Too few arguments in /home/shamajsh/public_html/wp-content/themes/viral/inc/template-tags.php on line 113
বিনোদন ডেস্ক: দেশীয় চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাকের ৭৮তম জন্মদিন মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারি। গত ৫ দশক তার অভিনয় দক্ষতা দিয়ে নানা বয়সী দর্শকের হৃদয়ে চিরস্থায়ী স্থান করে নিয়েছেন এই নায়ক। সেলুলয়েডের ফিতায় বন্দি তার অসংখ্য অমর চরিত্র আজও দর্শকদের স্মৃতিকাতর করে। এবার দ্বিতীয়বারের মতো চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি নায়করাজ রাজ্জাককে ছাড়া তার জন্মদিন পালন করবে। অসময়ে তার চলে যাওয়ার জন্য ইন্ডাস্ট্রির অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। সমিতি আগামীকাল তাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে। নায়করাজ রাজ্জাকের জন্ম ১৯৪২ সালে কলকাতায়। ১৯৬৪ সালে ঢাকায় আসেন তিনি। এরপর জড়িয়ে পড়েন চলচ্চিত্রে। দু’একটা সিনেমায় ছোটখাটো চরিত্রে অভিনয় করার পর ১৯৬৭ সালে মুক্তি পায় নায়ক হিসেবে তার প্রথম ছায়াছবি বেহুলা। সেই থেকে শুরু। অভিনয়ের পাশাপাশি ছবি পরিচালনার কাজও করেছেন রাজ্জাক। ১৬টির মতো ছায়াছবি পরিচালনা করেছেন তিনি। রাজ্
না ফেরার দেশে চলে গেলেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল

না ফেরার দেশে চলে গেলেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল


Warning: printf(): Too few arguments in /home/shamajsh/public_html/wp-content/themes/viral/inc/template-tags.php on line 113
স্টাফ রিপোর্টার: চলে গেলেন মুক্তিযোদ্ধা, বরেণ্য গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল। আজ মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে আফতাব নগরের নিজ বাসায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি। এ খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী রোজেন। এ বিষয়ে রোজেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘স্যার ভোর সোয়া ৪টার দিকে বাসাতেই মারা গেছেন। তিনি আমাকে ফোন দিয়ে জানান, “তাড়াতাড়ি বাসায় আসো, আমার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে।” এরপর ১০-১৫ মিনিটের মধ্যে আমি স্যারের বাসায় যাই। কিন্তু কোনো পালস পাইনি। পরে মহাখালীর আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকরা তাকে সাড়ে ৫টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।’ জানা গেছে, ২০১৮ সালের মাঝামাঝিতে বুলবুলের হার্টে আটটি ব্লক ধরা পড়ে। পরে তার শারীরিক অবস্থার কথা জানতে পেরে চিকিৎসার দায়িত্ব নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার পর বুলবুলকে হৃদরোগ ইনস্টিটিউ
বিশিষ্ট সাংবাদিক আবু বকর চৌধুরীর ইন্তেকাল

বিশিষ্ট সাংবাদিক আবু বকর চৌধুরীর ইন্তেকাল


Warning: printf(): Too few arguments in /home/shamajsh/public_html/wp-content/themes/viral/inc/template-tags.php on line 113
স্টাফ রিপোর্টার: বিশিষ্ট সাংবাদিক ও দৈনিক মানবকণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আবু বকর চৌধুরী আর নেই। তিনি আজ ভোরে রাজধানীর ইবনে সিনা হাসপাতালে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন)। আজ ভোর রাতে তিনি নিজ বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। এসময় ইবনে সিনা হাসপাতালে নিয়ে গেলে ভোর সোয়া ৫টায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার বয়স হয়েছিল ৫৫ বছর। মরহুমের পারিবারিক সূত্র জানায়, রাজধানীর ধানমন্ডি ১২/এ সড়কে আত তাকওয়া মসজিদে আজ বাদ যোহর আবু বকর চৌধুরীর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে । আজিমপুর গোরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। মৃত্যুকালে তিনি, মা এবং স্ত্রী দিল আফরোজা সহ অনেক আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আবু বকর চৌধুরী ১৯৯১ সালে ‘সাপ্তাহিক প্রত্যায়ন’ পত্রিকায় যোগদানের মধ্য দিয়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন। পরে তিনি সাপ্তাহিক খবর, আজকের কাগজ, আমাদের সময়, সকালের খবর, সমকাল পত্রিকায় কাজ করে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবন বৃত্তান্ত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবন বৃত্তান্ত

বরেন্য ব্যক্তিত্ব
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের পর আজ চতুর্থবারের মত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শেখ হাসিনা। ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন তিনি প্রথম বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন। তাঁর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সে বছরের ১২ জুনের সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছিল। ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে তাঁর দল আওয়ামী লীগ পরাজয়বরণ করে। শেখ হাসিনা বিরোধীদলের নেতা নির্বাচিত হন। ২০০৬ সালে বিএনপি-জামাত সরকার ক্ষমতা হস্তান্তরে জটিলতা সৃষ্টি করলে সামরিক বাহিনী সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে। প্রায় ২ বছর ক্ষমতায় থাকার পর ঐ সরকার ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর ৯ম সংসদীয় নির্বাচনের আয়োজন করে। এই নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে