খোলা কলাম

বন্ধ হোক নারী নিপীড়ন

বন্ধ হোক নারী নিপীড়ন

খোলা কলাম
ফেরদৌসী খানম লাকী: মানব জাতির কাছে ধর্ম এসেছে সমাজে সঠিক পথ, সুন্দর সমাজ এবং পরস্পরের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে মহান আল্লাহ্ তায়ালার নির্দেশনা অনুযায়ী সমাজব্যবস্থা পরিচালনার জন্য। নারীর মর্যাদা সম্পর্কে ইসলাম ধর্মে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেয়া রয়েছে । কিন্তু দেখা যায় ধর্মের লেবাসধারী ধর্মকে পুঁজি করে সমাজে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করে মানুষের আস্থা অর্জন করে তাদের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়। কিন্তু কোন অঘটন ঘটলে তাদের আসল চেহারাটা সমাজের চোখে বের হয়ে আসে, এর আগে নয় । তা না হলে একটি ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল একজন নারীকে হেনস্তা করে যাচ্ছে তার প্রতিকার কেউ করেনি। নুসরাত পুড়ে যাওয়ার পর তার আসল মুখোশ উন্মোচন হলো কেন? নিশ্চয়ই এর আগেও ওই নরপশু অনেকের সঙ্গেই এ রকম ‘ব্যাভিচারী’ আচরণ করেছে। আসলে আজও আমরা নিজেদের শুধরাতে পারিনি। কারণ কেউ যদি অভিযোগ করে ‘যৌন হেনস্তার’ তাকেই বরং
আজ বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে ধ্রুবতারার মত দীপ্ত একটি দিন ১৭ এপ্রিল

আজ বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে ধ্রুবতারার মত দীপ্ত একটি দিন ১৭ এপ্রিল


Warning: printf(): Too few arguments in /home/shamajsh/public_html/wp-content/themes/viral/inc/template-tags.php on line 113
তিমির চক্রবর্ত্তী : বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে ধ্রুবতারার মত দীপ্ত একটি দিন আজ ১৭ এপ্রিল।এ দেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে, বাঙ্গালি জাতির জীবনে দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক । ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর আ¤্রকাননে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার স্বাধীনতার যে সূর্য অস্তমিত হয়েছিল বাঙালীর সেই স্বাধীনতার সূর্য আবারও উদিত হয়েছিল ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে। ১৯৭১ সালে এইদিনে কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহাকুমার (বর্তমানে মেহেরপুর জেলা) মুজিবনগর বৈদ্যনাথতলায় আম্রকাননে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথগ্রহণ করে।এই সরকারের অধীনেই আমাদের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয় এবং ৯ মাস যুদ্ধের পর দেশ স্বাধীন হয়। মুক্তিযুদ্ধকে সফল পরিণতিতে পৌঁছে দিতে মুজিবনগর সরকারের ভূমিকা অপরিসীম। এরপর থেকে দিনটি পালিত হয়ে আসছে মুজিবনগর দিবস হিসেবে। তৎকালীন মেহেরপুর মুক্ত এলাকা হওয়
‘ঘৃণা এদের মস্তিষ্ককে এমন ভাবে দখল করে আছে যে….’

‘ঘৃণা এদের মস্তিষ্ককে এমন ভাবে দখল করে আছে যে….’

খোলা কলাম
তসলিমা নাসরিন:  নিউজিল্যান্ডের মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন বাংলাদেশের নির্বাসিত লেখক তসলিমা নাসরিন। হামলাকারীর ঘৃণা ও শিয়া-সুন্নী বিভেদ থেকে মসজিদে হামলার বিভিন্ন ঘটনাকেও এ প্রসঙ্গে তিনি তুলে ধরেছেন এ লেখায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তসলিমা নাসরিনের স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো এখানে- ‘সারা মুসলিম বিশ্ব কেঁপে উঠেছে নিউজিল্যান্ডের মসজিদে সন্ত্রাসী ঘটনার খবর শুনে। মুসলিমদের ওপর মানুষের এমনিতে অনেক রাগ, কারণ মুসলিমরা বিশ্ব জুড়ে ভয়ংকর ভয়ংকর সন্ত্রাসী কান্ড ঘটায়। শত শত মানুষের মৃত্যু ঘটে, শত শত মেয়ে ধর্ষিতা হয়। সে কারণে কিছু মুসলিম-বিদ্বেষী লোক সুযোগ পেলে মুসলিমদের অপমান, নির্যাতন করতে ছাড়ে না। মসজিদে সন্ত্রাসী আক্রমণ মুসলিমদের প্রতি সেই ঘৃণারই বহিঃপ্রকাশ। মসজিদে হামলা অবশ্য নতুন কিছু নয়। সুন্নি সন্ত্রাসীরা শিয়াদের মসজিদে বা আহমদিয়াদের মসজিদে প্রায়ই হামলা চ
প্রতিদিন পড়তে পড়তে কেটে গেল ১০টি বছর

প্রতিদিন পড়তে পড়তে কেটে গেল ১০টি বছর

খোলা কলাম
তসলিমা নাসরিন: এই পত্রিকার মালিক, সম্পাদককে আমি কুর্ণিশ করি। এত বাধা, প্রতিবন্ধকতা, এত হুমকি, এত হুঙ্কারের মধ্যেও... প্রতি সপ্তাহে ছাপিয়ে যাচ্ছেন আমার লেখা। বাংলাদেশ প্রতিদিন ১০ বছরে পা দিচ্ছে। উৎসবের দিন বটে! কত শত উৎসব হয় দেশে, সব উৎসবেই আমার প্রবেশ নিষেধ। সবখানে, এক আমিই থেকে যাই অনাকাক্সিক্ষত, ব্রাত্য। মাঝে মাঝে ভাবি, যদি আমি হঠাৎ উপস্থিত হই দেশের কোনো এক উৎসবে, আমাকে দেখে লোকে নিশ্চয়ই ভূত দেখার মতো চমকে উঠবে। আমাকে নিয়ে লোকের ভয়ের সীমা নেই। ভয় মূলত আমার নাম নিয়ে। লেখা নিয়ে নয়। গত চার যুগ যা লিখেছি, সেসবই তো মেয়েরা এখন নির্বিঘ্নে লিখছে, লিখে প্রশংসা পাচ্ছে, পুরস্কার পাচ্ছে। অথচ এসবই, এই বক্তব্যই যখন নতুন ছিল, আমাকে একঘরে হতে হয়েছে, মার খেতে হয়েছে, নির্বাসনে যেতে হয়েছে। হ্যাঁ, আমার নাম নিয়েই সমস্যা। ছদ্মনামে বই ছাপালে কোনো সমস্যা হতো না। কিন্তু মিথ্যের আশ্রয় কোনো দিন নিইনি, নেওয়ার ইচ
বিশ্ববিদ্যালয় হোক নেতৃত্বের তীর্থালয়

বিশ্ববিদ্যালয় হোক নেতৃত্বের তীর্থালয়

খোলা কলাম
ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ: ২৮ বছরের প্রতিবন্ধকতা সরে যাচ্ছে। ১১ মার্চ দিনটি ইতিহাসে জায়গা করে নিল। তবে চার জোট ভোট বর্জন করেছে। ছাত্র ধর্মঘট, উপাচার্যের বাসভবন ঘেরাও, ক্লাস বর্জনের ডাক দিয়েছে নির্বাচনে অংশ নেওয়া অন্য ছাত্র সংগঠনগুলো। এ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কম বেগ পেতে হচ্ছে না! আমি একটু অন্য প্রসঙ্গে বলতে চাই। আজকের এই মাহেন্দ্রক্ষণে একজন মানুষের নাম না বললেই নয়, তিনি হলেন আমাদের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরী। তিনি ডাকসু নির্বাচনের জন্য সবচেয়ে যুগোপযোগী পন্থা ও সাহস করেছিলেন। ছাত্রনেতা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী সবাইকে নিয়ে দিনের পর দিন মিটিং, ক্যাম্পাসে অবাধ বিচরণ ও হলে সহাবস্থান নিশ্চিত করেছিলেন। কিন্তু গায়েবি শিবিবের কুপ্রবঞ্চনায় ছাত্রদল বিভ্রান্ত হয়ে নির্বাচন হতে দেয়নি। তফসিলও ঘোষণা করা হয়েছিল সেবার। ১৯৯৮ সালে ডাকসুর কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়। ওই সময় ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচনের