সম্পাদকীয়

‘হ্যাট্রিক’ নেত্রী তোমাকে অভিনন্দন

‘হ্যাট্রিক’ নেত্রী তোমাকে অভিনন্দন


Warning: printf(): Too few arguments in /home/shamajsh/public_html/wp-content/themes/viral/inc/template-tags.php on line 113
মো: মিল্লাত হোসেন: গণতন্ত্রকামী মানুষের আশা আকাঙ্খার সুষ্ঠু প্রতিফলনের মাধ্যমে ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মহাজোট নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেছে। আওয়ামী লীগ একাই লাভ করেছে ২৫৯টি সংসদীয় আসন। নির্বাচিত সকলকে আমার এবং সম্পাদক হিসাবে দৈনিক সমাজ সংবাদের পক্ষ থেকে জানাই অভিনন্দন ও খ্রিস্টীয় নববর্ষের শুভেচ্ছা। এই নির্বাচনে ১৬ কোটি মানুষ মহাজোটকে সমর্থনের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক ভ্রষ্টাচারদের প্রত্যাখ্যান করেছে। এজন্য সকল শ্রেনী-পেশার মানুষকে ধন্যবাদ ও স্বাগত জানাই এবং একই সাথে তাদেরও প্রতি কৃজ্ঞতা প্রকাশ করছি। পূর্বেই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের জরিপে ওঠে এসেছিল জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সংখ্যাগরিষ্ট বিজয় সম্ভাবনার চিত্র। ৩০ ডিসেম্বর ছিল কেবল আনুষ্ঠানিকতা মাত্র! অবশেষে সেই আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলো। চতুর্থবারের মতো বিজয় নিশ্চিত করা
নির্বাচনের উপযুক্ত পরিবেশ

নির্বাচনের উপযুক্ত পরিবেশ


Warning: printf(): Too few arguments in /home/shamajsh/public_html/wp-content/themes/viral/inc/template-tags.php on line 113
দলীয় ও জোটের প্রার্থীদের চূড়ান্ত মনোনয়নের পর নির্বাচনের মূল স্রোত বইতে শুরু করেছে। তবে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশনের পূর্ণ তালিকা পেতে আরো কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। যাঁরা দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন, তাঁদের কর্মী-সমর্থকরা আনন্দের সাগরে ভাসছে। অনেক নির্বাচনী এলাকায় মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে। অন্যদিকে দলীয় মনোনয়ন পেতে যাঁরা ব্যর্থ হয়েছেন তাঁদের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। মনোনয়ন পাননি এমন অনেক নেতা অন্য দলে যোগ দিচ্ছেন। বাংলাদেশে সব নির্বাচনই উৎসবমুখর পরিবেশে হয়ে থাকে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনও শঙ্কাহীন ও উৎসবমুখর হবে, এমনটাই আশা করা হচ্ছে। কিন্তু সব রাজনৈতিক দলেই উপদল আছে। রাজনৈতিক নেতাদের নিজস্ব গ্রুপ ও কর্মী-সমর্থক বাহিনী রয়েছে। মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার পর প্রার্থীরা পূর্ণ উদ্যমে মাঠে নামবেন। কর্মী-সমর্থকরা সব ভুলে প্রার্থীর জন
পরিবেশের প্রধান শত্রু প্লাস্টিক

পরিবেশের প্রধান শত্রু প্লাস্টিক


Warning: printf(): Too few arguments in /home/shamajsh/public_html/wp-content/themes/viral/inc/template-tags.php on line 113
প্লাস্টিক এখন সারা দুনিয়ায় পরিবেশের জন্য এক নম্বর শত্রু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মাটিদূষণ, জলাশয়ের চরিত্র বদলে দেওয়া, পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত করা, জলজ প্রাণী ধ্বংস করাসহ বহুবিধ ক্ষতি হচ্ছে এই প্লাস্টিক দিয়ে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, প্লাস্টিকের এই অবাধ প্রবাহ বন্ধ করা না গেলে আগামী দু-তিন দশকের মধ্যে বিশ্ব এক বিপর্যয়কর অবস্থায় চলে যাবে। তাই দুনিয়াব্যাপী প্লাস্টিকের বিরুদ্ধে ব্যাপক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে অনেক ধরনের প্লাস্টিকের দ্রব্য সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রকৃতিতে ছড়িয়ে থাকা প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করে সেগুলো ধ্বংসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমাদের দেশে এমন সচেতনতা কোথায়? না সরকারিভাবে, না ব্যক্তিপর্যায়ে—প্লাস্টিকের বিরুদ্ধে কোনো উদ্যোগ নেই বললেই চলে। এমন অবস্থায় একটি ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিদলের প্রধান ও রাষ্ট্
ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল ২০১৮

ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল ২০১৮


Warning: printf(): Too few arguments in /home/shamajsh/public_html/wp-content/themes/viral/inc/template-tags.php on line 113
উন্নত গণতান্ত্রিক দেশে সংবাদপত্রকে বিকল্প সংসদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সংসদে রাষ্ট্রীয় কাজকর্মের জবাবদিহি নিশ্চিত করা হয়। সংবাদপত্রেও সরকারের কাজকর্মের ত্রুটি-বিচ্যুতি তুলে ধরে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করা হয়। উন্নত দেশগুলোতে এর জন্য সংবাদমাধ্যমকে নানাভাবে সহযোগিতা করা হয়। এর উল্টোটা হয় তৃতীয় বিশ্বের অনেক দেশে। ক্ষমতাসীনরা বরাবর সেখানে সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধেরই সুযোগ খুঁজতে থাকে। বাংলাদেশও যেন তার ব্যতিক্রম নয়। ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল ২০১৮ নামে একটি আইন পাস করার প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে চলে এসেছে। অথচ এই আইনের ৩২ ধারাসহ অন্তত আটটি ধারা সম্পর্কে সম্পাদক পরিষদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে), বেসরকারি টেলিভিশন মালিকদের সংগঠন অ্যাটকোসহ সংশ্লিষ্ট মহলগুলো প্রবল আপত্তি জানিয়ে আসছে। আইনটি আগেই মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছে। গত সোমবার সেই ধারাগুলো প্রায় অপরিবর্তিত রেখেই সংসদীয় কমিটি স
ঢাকার রাস্তায় আবারও লেগুনা

ঢাকার রাস্তায় আবারও লেগুনা


Warning: printf(): Too few arguments in /home/shamajsh/public_html/wp-content/themes/viral/inc/template-tags.php on line 113
অনেক সময় চমক দেখানোর জন্য হুটহাট অনেক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিছুদিনের মধ্যে সেই সিদ্ধান্ত বাতিলও হয়। তেমনি একটি সিদ্ধান্ত ছিল ঢাকার রাস্তায় লেগুনা চলাচল বন্ধ করে দেওয়া। ঢাকার বিভিন্ন রাস্তায় প্রায় ছয় হাজার লেগুনা চলে। এগুলোতে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী চলাচল করে। বিকল্প যানবাহনের ব্যবস্থা না করে লেগুনা বন্ধ করে দেওয়ায় এসব যাত্রী চরম দুর্ভোগে পড়ে। এই গাড়িগুলোর মালিক-শ্রমিকরাও বিপদগ্রস্ত হয়। বিভিন্ন ইউনিয়ন, শ্রমিক নেতা, রাজনৈতিক নেতা, এমনকি পুলিশের কিছু সদস্যের নিয়মিত চাঁদাবাজির উৎস বন্ধ হয়ে যায়। স্বাভাবিকভাবেই চাঁদার সুবিধাবঞ্চিতরা নানা রকম তদবির শুরু করে। এসব কারণে ঢাকায় পুনরায় সীমিত আকারে লেগুনা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। বাস্তবে দেখা যায়, লেগুনা আগের মতোই ঢাকার রাস্তাগুলো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। তাহলে হুট করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন কী ছিল? ২০০২ সালে তিন চাকার যানবাহন চলাচল বন্ধ করে সীমিত