ধর্ম-কর্ম

যে সাত ব্যক্তি আরশের ছায়ায় আশ্রয় পাবেন

যে সাত ব্যক্তি আরশের ছায়ায় আশ্রয় পাবেন


Warning: printf(): Too few arguments in /home/shamajsh/public_html/wp-content/themes/viral/inc/template-tags.php on line 113
*হাদিসের নির্দেশনা* আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসুুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যেদিন আল্লাহর (রহমতের) ছায়া ছাড়া আর কোনো ছায়া থাকবে না, সেদিন সাত ব্যক্তিকে আল্লাহ তাআলা নিজের (আরশের) ছায়ায় আশ্রয় দেবেন। ১. ন্যায়পরায়ণ শাসক। ২. ওই যুবক, যার জীবন গড়ে উঠেছে তার প্রতিপালকের ইবাদতের মধ্যে। ৩. ওই ব্যক্তি, যার অন্তর মসজিদের সঙ্গে লেগে থাকে। ৪. ওই দুই ব্যক্তি, যারা পরস্পরকে ভালোবাসে আল্লাহর জন্য, একত্র হয় আল্লাহর জন্য এবং পৃথকও হয় আল্লাহর জন্য। ৫. ওই ব্যক্তি, যাকে কোনো উচ্চবংশীয় রূপসী নারী (কুকর্মের) আহ্বান জানায়, কিন্তু সে এ কথা বলে প্রত্যাখ্যান করে যে আমি আল্লাহকে ভয় করি। ৬.  ওই ব্যক্তি, যে এমন গোপনে দান করে যে তার ডান হাত যা খরচ করে বাঁ হাত তা জানে না। ৭. ওই ব্যক্তি, যে নির্জনে আল্লাহর জিকির করে, ফলে তার দুই চোখ দিয়ে অশ্রুধারা বইতে থাকে। (বুখারি, হাদিস : ৬৬০)
দাদার সঙ্গে মহানবী (সা.)-এর দিনগুলো

দাদার সঙ্গে মহানবী (সা.)-এর দিনগুলো


Warning: printf(): Too few arguments in /home/shamajsh/public_html/wp-content/themes/viral/inc/template-tags.php on line 113
অনলাইন ডেস্ক: দুগ্ধপান শেষে আরো কিছুদিন অতিবাহিত হলো। অবশেষে হালিমা (রা.) শিশু মুহাম্মদ (সা.)-কে তাঁর মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেন। তাঁর বয়স ছয় বছর পর্যন্ত তিনি মায়ের স্নেহচ্ছায়ায় কাটালেন। (তালকিহুল ফুহুম, পৃষ্ঠা-৭, ইবনে হিশাম, প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা-১৬৮) এদিকে মা আমেনার ইচ্ছা হলো, তিনি পরলোকগত স্বামীর কবর জিয়ারত করবেন। পুত্র মুহাম্মদ, দাসী উম্মে আয়মন ও শ্বশুর আবদুল মোত্তালিবকে সঙ্গে নিয়ে তিনি প্রায় ৫০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে মদিনায় পৌঁছেন। এক মাস সেখানে অবস্থানের পর মক্কার পথে রওনা হন। মক্কা ও মদিনার মাঝামাঝি আবওয়া নামক জায়গায় এসে মা আমেনা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লেন। ক্রমেই এ অসুখ বেড়ে চলল। অবশেষে তিনি আবওয়ায় ইন্তেকাল করেন। (ইবনে হিশাম, প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা-১৬৮) বৃদ্ধ আবদুল মোত্তালিব পৌত্রকে সঙ্গে নিয়ে মক্কায় পৌঁছলেন। পিতৃ-মাতৃহীন পৌত্রের জন্য তাঁর মনে মমতার অন্ত ছিল না। এভাবে আনন্দে-আহ্লাদে তাঁর দিন
আগামী ২১ এপ্রিলই শবেবরাত

আগামী ২১ এপ্রিলই শবেবরাত


Warning: printf(): Too few arguments in /home/shamajsh/public_html/wp-content/themes/viral/inc/template-tags.php on line 113
স্টাফ রিপোর্টার: আগামী ২১ এপ্রিলই পবিত্র শবেবরাত পালিত হবে বলে জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। আজ মঙ্গলবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন। শাবান মাসের চাঁদ দেখার বিষয়ে বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরামদের সমন্বয়ে গঠিত ১১ সদস্য কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এ ঘোষণা দেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী।জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি গত ৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় দেশের সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, আবহাওয়া দফতরের সব কার্যালয়, মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত হয় যে, বাংলাদেশের আকাশে কোথাও শাবান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। সে হিসাবে আগামী ২১ এপ্রিল দিবাগত রাতে সারাদেশে পবিত্র শবে বরাত উদযাপন হবে। এরপর দেশের আকাশে সেদিন চাদ দ
কবে শবে বরাত সুরাহা হয়নি, ১৭ এপ্রিল ফের বৈঠক

কবে শবে বরাত সুরাহা হয়নি, ১৭ এপ্রিল ফের বৈঠক


Warning: printf(): Too few arguments in /home/shamajsh/public_html/wp-content/themes/viral/inc/template-tags.php on line 113
স্টাফ রিপোর্টার: আগামী ২১ এপ্রিল পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে গত ৬ এপ্রিল এ তথ্য জানানো হয়। তবে এই তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা যায়। সেটার অবসান ঘটাতে আগামী ১৭ এপ্রিল আবারও বৈঠক হবে। আজ শনিবার দুপুরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। এদিন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি শেখ মো. আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির তিন ঘণ্টার বৈঠকেও কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় আবারো বৈঠকের ঘোষণা দেয়া হয়। জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, পবিত্র শবে বরাতের তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে শনিবার ১০ সদস্যের মুফতি আব্দুল মালেকের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে। এই কমিটি আগামী ১৭ এপ্রিল বৈঠক করে শবে বরাতে তারিখ নির্ধারণ করবে। গত ৬ এপ্রিল বাংলাদেশের আকাশে হিজরি শাবান মাসের চাঁ
বিশিষ্ট এক চিকিৎসকের দৃষ্টিতে পবিত্র কোরআন

বিশিষ্ট এক চিকিৎসকের দৃষ্টিতে পবিত্র কোরআন


Warning: printf(): Too few arguments in /home/shamajsh/public_html/wp-content/themes/viral/inc/template-tags.php on line 113
অনলাইন ডেস্ক: আজাদ স্যারের কথাগুলো আমার মাদ্রাসা শিক্ষাকে নতুন করে ভাবতে শেখাল। কামিল প্রথমপর্ব পরীক্ষা শেষে যখন দ্বিতীয়পর্ব নিয়ে ভাবছি তখন জানলাম, কোরআন কখনই আমাদের মতো মোল্লা-মুনশি চায়নি। আলেম এবং দ্বীনের দায়িত্ব সম্পর্কে আমরা যা বুঝি- কোরআনে তার ন্যূনতম ইঙ্গিতও নেই। হ্যাঁ কথাগুলো যিনি বলেছেন, তার দিকে অবাক হয়ে তাকালাম। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. রফিক আজাদ। তার একমাত্র ছেলে জাভিদ আমার কাছে কোরআন পড়ে। সেই সুবাদে টুকটাক কথা হয় দেশসেরা এ চিকিৎসকের সঙ্গে। সচরাচর যে ধরনের কথা ও চিন্তা শুনে মাদ্রাসা জীবনে বেড়ে উঠেছি, ঠিক তার উল্টো কথা শুনি আজাদ স্যারের মুখে। মাঝে মাঝে খুব বিরক্ত হয়ে যাই। ডাক্তার হয়েছেন, ডাক্তারি নিয়েই থাকুন। ইসলাম নিয়ে কোরআন নিয়ে কথা বলার সাহস পান কোথায়? ইসলাম নিয়ে কথা বলার দায়িত্ব তো আমাদের। আমার মতো ২০ বছর মাদ্রাসায় পড়ে আসুন। তারপর না হয়