রাকিবকে ছাড়ার আসল কারণ জানালেন তামিমা

চেনাজানা থেকেই প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে দুজনের মাঝে। গেল বছর সেপ্টেম্বরে ইনস্টাগ্রামে একটি মেয়েকে নিয়ে পোস্ট দিয়েছিলেন নাসির। যদিও মিনিট দশেক পর পোস্টটা ডিলিটও করে দিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত তার সঙ্গেই বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হলেন তিনি।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে নাসির ভালোবেসে ঘর বাঁধেন তামিমা তাম্মির সাথে। তামিমা পেশায় একজন কেবিন ক্রু। কাজ করেন বিদেশি একটি এয়ারলাইন্সে। তবে বিয়ের খবর ছাপিয়ে নাসিরের স্ত্রীকে জড়িয়ে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। ২০ ফেব্রুয়ারি রাইসা ইসলাম বাবুনি নামক এক ফেসবুক ব্যবহারকারীর একটি পোস্ট ভাইরাল হয়। যেখানে তামিমার স্বামী হিসেবে রাকিব নামে এক ব্যক্তি দাবি করেছেন, এখনও তাদের মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্ক রয়েছে। এমনকি তাদের রয়েছে ৮ বছরের এক কন্যাসন্তান। কিন্তু স্বামীকে তালাক না দিয়েই ক্রিকেটার নাসিরকে বিয়ে করেছেন তামিমা!

এ ঘটনা সামনে আসার পর নাসির-তামিমার বিয়ে ইসলামি শরীয়ত মতে বৈধ হয়েছে কি-না সেটা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। এমনকি এ ঘটনায় আইনি মারপ্যাঁচে ৫ বছরের জেল হতে পারে নাসিরের এবং তামিমার হতে পারে ৭ বছরের।

এই তুমুল বিতর্কের মাঝেই তামিমা তাম্মি নিজের ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস শেয়ার করেছেন। সেই স্ট্যাটাসেই জট খুলতে শুরু করেছে বিভিন্ন বিতর্কের। স্ট্যাটাসে তামিমা লিখেছেন, “প্রথম দিন নাসিরের সাথে দেখা হয়েছিল সে আমাকে গোলাপ দিয়েছে। আমি কিছুটা অবাক হয়েছিলাম।

বন্ধুত্বের গোলাপ?

তখন আমি তাকে রাতে ফোন করে জিজ্ঞাসা করলাম কেন আপনি আমাকে গোলাপ দিয়েছেন? তিনি আমাকে বলেছিলেন যে তিনি আমাকে ভালোবাসতেন-তিনি আমার হতে চান।

আমি সেই সময় অবাক হয়েছি – যে ছেলেটি ৩০-৩২ বান্ধবী থাকার পরেও আমার হতে চায়;  ৩০-৩২ মেয়ে রেখে আমাকে ঘনিষ্ঠ করতে চায়।

তার জন্য কি আমি একজন স্বামীকে ছেড়তে পারবো না। আমি ওকে খালি হাতে ফিরিয়ে দিতে পারিনি। আমি আমার ভালবাসাকে আমার নিজের করে তুলেছি।

স্বার্থপর ব্যক্তির মতো তাকে দূরে ঠেলাতে পারেনি।”

তামিমা সুলতানা তাম্মি (নাসিরের স্ত্রী)।

তামিমার এই পোস্টের নিচে পক্ষে বিপক্ষে অনেকে অনেক মন্তব্য করেছেন।

আরও পড়ুন
Loading...